Home Questions কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

0
421
কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম
কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

জানবো বিডি ডট নেট এর পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে স্বাগতম। আজকেরে আর্টিকেলে আমরা জানবো কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম, কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার সময়, কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার আগে না পরে, গর্ভাবস্থায় কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানব।

আমাদের www.gazivai.comওয়েবসাইট থেকে আপনার প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটা করুন। সবথেকে কম দামে পণ্য কিনতে ভিজিট করুনwww.gazivai.com

কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

কৃমি আকারে খুবই ছোট। প্রায় দেখাই যায় না। কিন্তু জেনে অবাক হবেন, এ রকম একটি কৃমি মানুষের অন্ত্র থেকে দিনে শূন্য দশমিক ২ মিলিলিটার রক্ত শুষে নেয়। অনেক কৃমি শরীরে থাকলে প্রতিদিনই বেশ কিছু পরিমাণ রক্ত হারিয়ে যায়। ফলে শিশুরা অপুষ্টি ও রক্তশূন্যতায় ভোগে। বড়রাও কম ভোগেন না।

এ ছাড়া কৃমির কারণে অ্যালার্জি, ত্বকে চুলকানি, শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কখনো অন্ত্রের বা পিত্তথলির নালিতে কৃমি আটকে গিয়ে বড় ধরনের জটিলতা হয়। কৃমি সংক্রমণ তাই বড় ধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা।

কৃমি দূর করতে হলে প্রথমেই জানা দরকার এটি কেন হয়? নোংরা পরিবেশ, অনিরাপদ পানি পান, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, খালি পায়ে হাঁটা কৃমি সংক্রমণের জন্য দায়ী।

কৃমি হলেও ওষুধের মাধ্যমে দূর করার উপায় আছে। কিন্তু অনেকে নানা ভুল ধারণার জন্য ভয়ে কৃমির ওষুধ খান না। শিশুদেরও খাওয়াতে চান না। কিন্তু ওষুধ নিয়ম মেনে খেলে আর সহজ কিছু উপায় মেনে চললে সহজেই কৃমি দূর করা যায়।

কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম
কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

জেনে নেওয়া যাক সহজ কিছু উপায়:

  • প্রতি তিন মাস পরপর পরিবারের সবাই একটি করে অ্যালবেনডাজল বড়ি সেবন করতে পারেন। মেবেনডাজল হলে খেতে হবে পরপর তিন দিন। সাত দিন পর আরেকটা ডোজ খাওয়া যায়। শিশুদেরও একইভাবে সিরাপ খাওয়াতে হবে। দুই বছরের নিচে কোনো শিশুকে খাওয়াতে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • চিনি খেলে বা মিষ্টি খেলে কৃমি হবে বলে যে ধারণা প্রচলিত, তা ঠিক নয়। মিষ্টি বা চিনি খাওয়ার সঙ্গে কৃমির কোনো সম্পর্ক নেই। বরং নোংরা হাতে বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে কৃমি হবে।
  • কৃমি হলে পায়ুপথ চুলকায় বলে শিশুরা সেখানে হাত দেয়। পরে আবার সেই হাত মুখে দেয়। এভাবেই সংক্রমণ ছড়াতে থাকে। তবে পায়ুপথ চুলকানো মানেই কৃমি সংক্রমণ নাও হতে পারে। কৃমি সংক্রমণের আরও উপসর্গ আছে। যেমন: ওজন না বাড়া, পেট ফাঁপা, পেট কামড়ানো, আমাশয়, অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি।
  • গরমকালে কৃমিনাশক খাওয়া যাবে না—এমন ধারণারও কোনো ভিত্তি নেই। গরম, শীত, বর্ষা যেকোনো সময়ই কৃমিনাশক খাওয়া যাবে। তবে খাওয়ার পর বা ভরা পেটে খাওয়া ভালো।
  • কৃমিনাশক নিরাপদ ওষুধ। এর তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে কারও কারও পেট ফাঁপা বা বমি ভাব হতে পারে। অনেক সময় কৃমিনাশক খেয়ে শিশুদের অসুস্থ হওয়ার যে খবর পাওয়া যায়, তা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অজ্ঞতা ও কুসংস্কারজনিত।
  • পানি অবশ্যই ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধ করে পান করবেন। শাকসবজি ও মাংস খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের আগে ভালো করে হাত ধুতে হবে। শিশুদের খাওয়ার আগে ও শৌচাগার ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে কীভাবে ভালো করে হাত কচলে ধুতে হয়, তা শেখানো জরুরি।
  • বাইরের খোলা অপরিচ্ছন্ন খাবার না খাওয়াই ভালো। মাঠঘাটে শিশুদের খালি পায়ে খেলতে দেবেন না।
  • কেবল গ্রামে বা রাস্তায় থাকা শিশুদের কৃমি হয়—এই ধারণাও ভুল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যে-কারও কৃমি সংক্রমণ হতে পারে। তাই অপুষ্টি এড়াতে নিয়মিত কৃমিনাশক খাওয়াই ভালো।
কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম
কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের স্তন – দুধ ছোট টাইট করার ক্রিম কিনতে ক্লিক –  এখনই কিনুন

কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার সময়

কৃমি কখনো কখনো অস্বস্তির কারণ হয়ে ওঠে খাদ্য হজম করার জন্য এই কৃমির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কৃমি হওয়ার লক্ষণ:

  • শরীরে কৃমি হলে লক্ষণ খুব বেশি প্রকাশ পায় না তবু কিছু লক্ষণ ধরা বোঝা যায় শরীরে কি বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে।
  • পেটে ব্যথা খাদ্য হজমের অস্বস্তি বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেওয়া কৃমির লক্ষণ।
  • ডায়রিয়া রক্তস্বল্পতা কিংবা ওজন কমে যাওয়া কৃমির অন্যতম একটি লক্ষণ তবে এই লক্ষণগুলো শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
  • কখনো কৃমির লক্ষণ প্রকাশ পায় কখনো পায় না।
  • অস্বাভাবিক মাত্রায় কিমি বেড়ে গেলে মলদ্বারের চারিপাশে চুলকানি দেখা দিতে পারে।
  • উপরোক্ত লক্ষণগুলোর বাহিরে আরও নানাবিধ লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার আগে না পরে

কৃমির ট্যাবলেট এর নাম: আর্টিকেলটির এই অংশে আমরা কয়েকটি কৃমির ওষুধের নাম এবং এর দাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানবো।

Aben -DS Chewable Tablet

কৃমির বাজারে নানান ধরনের ঔষধ কিনতে পাওয়া যায় এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য হলো ভেজা শরীরে শক্তি তৈরি করে থাকেন ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। প্রতি 400 এমজি কৃমির ওষুধের মূল্য 4 টাকা 50 পয়সা তবে কোন কোন দোকানদার তাকে পাঁচ টাকা টাকা নিতে পারে।

আমরা উপরোক্ত তথ্যগুলো রিসার্চের ভিত্তিতে দিয়ে থাকি কোন কোন ক্ষেত্রে তা বর্তমান দামের সাথে নাও মিলতে পারে।

আরো পড়ুনঃ বীর্য ঘন ও গাঢ় করার সেলেনিয়াম ঔষধ কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ২০ মিনিট করার ভিগা স্প্রে কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ লিংগ পিচ্ছিল করার KY লুব্রিকেন্ট জেল ক্রয় করার জন্য – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ বায়োমেনিক্স কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মেজিক কনডম সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ড্রাগন কনডম সরাসরি কিনতে ক্লিক করুনএখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ছেলেদের মেল এক্সট্রা  ট্যাবলেট কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ইন্ডিয়ান কস্তুরি গোল্ড কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ জিনসিন পাউডার সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ইন্ডিয়ান সান্ডার তেল কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

Albamax DS Chewable Tablet

বাচ্চা কিংবা বয়স্ক সকলের কৃমি দূর করার একটি উল্লেখযোগ্য ঔষধ হচ্ছে আলবাম এফসিডিএস জিস্কা ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড করতে উৎপাদিত 400 মিলিগ্রাম এই ঔষধটি আপনার নিকটস্থ যে কোনো ফার্মেসীতে কিনতে পাবেন তবে ছোট আকৃতির ফার্মেসীগুলোতে মাঝে মাঝে নাও পেতে পারেন। প্রতি 400 এমজি ওষুধের মূল্য হচ্ছে 2 টাকা 82 পয়সা তবে এটি কোম্পানির দ্বৈত মূল্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে এরকম বেশি হতে পারে।

আরও পড়ুন: কাশির ঔষধ ট্যাবলেট ১০ টি ভালো ঔষধ.

আরও পড়ুন: সর্দির ট্যাবলেট ১০ টি ভালো ঔষধ

আরও পড়ুন: মাথা ব্যথার ১০ টি ঔষধের নামের তালিকা

আরও পড়ুন: বড় ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ? বড় ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস

আরও পড়ুন: লিংগ মোটা করার উপায়

গর্ভাবস্থায় কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

তবে উপরোক্ত কৃমির ওষুধ সেবনের কালে অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের উপদেশ অনুযায়ী ঔষধ খাবেন।

একটি ওষুধ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়, ওষুধটি গ্রহণের ঝুঁকিগুলিকে অবশ্যই এটির উপকারের বিপরীতে ওজন করতে হবে। এটি একটি সিদ্ধান্ত যা আপনি এবং আপনার ডাক্তার নেবেন। এই ওষুধের জন্য, নিম্নলিখিত বিবেচনা করা উচিত:

এলার্জি
এই ওষুধ বা অন্য কোনো ওষুধের প্রতি আপনার অস্বাভাবিক বা অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া থাকলে আপনার ডাক্তারকে বলুন। আপনার স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারকেও বলুন যদি আপনার অন্য কোনো ধরনের অ্যালার্জি থাকে, যেমন খাবার, রঞ্জক, সংরক্ষণকারী বা প্রাণী। অ-প্রেসক্রিপশন পণ্যগুলির জন্য, লেবেল বা প্যাকেজ উপাদানগুলি সাবধানে পড়ুন।

পেডিয়াট্রিক
আজ অবধি সম্পাদিত উপযুক্ত অধ্যয়নগুলি শিশু-নির্দিষ্ট সমস্যাগুলি প্রদর্শন করেনি যা শিশুদের নিউরোসিস্টিসারকোসিসের চিকিত্সার জন্য অ্যালবেন্ডাজোলের উপযোগিতাকে সীমিত করবে। যাইহোক, হাইডাটিড রোগ শিশুদের মধ্যে বিরল।

জেরিয়াট্রিক
যদিও অ্যালবেন্ডাজোলের প্রভাবের সাথে বয়সের সম্পর্কের বিষয়ে যথাযথ গবেষণা করা হয়নি জেরিয়াট্রিক জনসংখ্যার মধ্যে, কোনো জেরিয়াট্রিক-নির্দিষ্ট সমস্যা আজ পর্যন্ত নথিভুক্ত করা হয়নি।

বুকের দুধ খাওয়ানো
স্তন্যপান করানোর সময় এই ওষুধটি ব্যবহার করার সময় শিশুর ঝুঁকি নির্ধারণের জন্য মহিলাদের মধ্যে পর্যাপ্ত গবেষণা নেই। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এই ওষুধ খাওয়ার আগে সম্ভাব্য ঝুঁকির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সুবিধাগুলি ওজন করুন।

ওষুধের মিথস্ক্রিয়া
যদিও কিছু ওষুধ একসাথে ব্যবহার করা উচিত নয়, অন্য ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন ওষুধ একসাথে ব্যবহার করা যেতে পারে এমনকি যদি একটি মিথস্ক্রিয়া ঘটতে পারে। এই ক্ষেত্রে, আপনার ডাক্তার ডোজ পরিবর্তন করতে চাইতে পারেন, বা অন্যান্য সতর্কতা প্রয়োজন হতে পারে। আপনি যদি অন্য কোনো প্রেসক্রিপশন বা অ-প্রেসক্রিপশন (ওভার-দ্য-কাউন্টার [OTC]) ওষুধ গ্রহণ করেন তবে আপনার স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারকে বলুন।

অন্যান্য মিথস্ক্রিয়া
খাবার খাওয়ার সময় বা নির্দিষ্ট ধরণের খাবার খাওয়ার সময় বা আশেপাশে কিছু ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ মিথস্ক্রিয়া ঘটতে পারে। নির্দিষ্ট ওষুধের সাথে অ্যালকোহল বা তামাক ব্যবহার করলেও মিথস্ক্রিয়া ঘটতে পারে। নিম্নলিখিত মিথস্ক্রিয়াগুলি তাদের সম্ভাব্য তাত্পর্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয়েছে এবং অগত্যা সব-সমেত নয়।

নিম্নলিখিত যে কোনও একটির সাথে এই ওষুধটি ব্যবহার করলে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে তবে কিছু ক্ষেত্রে অনিবার্য হতে পারে। যদি একসাথে ব্যবহার করা হয়, তাহলে আপনার ডাক্তার ডোজ পরিবর্তন করতে পারেন বা আপনি কত ঘন ঘন এই ওষুধটি ব্যবহার করেন, বা খাবার, অ্যালকোহল বা তামাক ব্যবহার সম্পর্কে আপনাকে বিশেষ নির্দেশ দিতে পারেন।

অন্যান্য মেডিকেল সমস্যা
অন্যান্য চিকিৎসা সমস্যার উপস্থিতি এই ওষুধের ব্যবহারকে প্রভাবিত করতে পারে। আপনার অন্য কোনো চিকিৎসা সমস্যা থাকলে আপনার ডাক্তারকে বলবেন তা নিশ্চিত করুন, বিশেষ করে:

  • অস্থি মজ্জার সমস্যা (যেমন, অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিস, অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া, গ্রানুলোসাইটোপেনিয়া, প্যানসাইটোপেনিয়া)- সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। এই অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে.
  • চোখের সাথে জড়িত সিস্টিসারকোসিস — নিউরোসিস্টিসারকোসিসের জন্য অ্যালবেন্ডাজল দিয়ে চিকিত্সা করা রোগীদের চোখের ক্ষতের জন্য পরীক্ষা করা উচিত। এই ওষুধটি ব্যবহার করলে চোখ বা দৃষ্টি সমস্যার জন্য আপনার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • লিভারের রোগ বা
  • লিভার এনজাইম, উন্নত—সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। আরো গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জন্য ঝুঁকি বাড়াতে পারে

কৃমির ট্যাবলেট এর ডোজ

এই ওষুধের ডোজ বিভিন্ন রোগীদের জন্য ভিন্ন হবে। আপনার ডাক্তারের আদেশ বা লেবেলে নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন। নিম্নলিখিত তথ্য শুধুমাত্র এই ওষুধের গড় ডোজ অন্তর্ভুক্ত। যদি আপনার ডোজ ভিন্ন হয়, তবে আপনার ডাক্তার আপনাকে তা করতে না বললে তা পরিবর্তন করবেন না।

আপনি যে পরিমাণ ওষুধ খান তা ওষুধের শক্তির উপর নির্ভর করে। এছাড়াও, আপনি প্রতিদিন কতটি ডোজ গ্রহণ করেন, ডোজগুলির মধ্যে অনুমোদিত সময় এবং আপনি কতক্ষণ ওষুধটি গ্রহণ করেন তা নির্ভর করে আপনি যে চিকিৎসা সমস্যার জন্য ওষুধটি ব্যবহার করছেন তার উপর।

মৌখিক ডোজ ফর্মের জন্য (ট্যাবলেট):
লিভার, ফুসফুস এবং পেরিটোনিয়ামের হাইডাটিড রোগের জন্য:
প্রাপ্তবয়স্কদের ওজন 60 কিলোগ্রাম (কেজি) বা তার বেশি – ডোজ শরীরের ওজনের উপর ভিত্তি করে এবং আপনার ডাক্তার দ্বারা নির্ধারণ করা আবশ্যক। ডোজ সাধারণত 400 মিলিগ্রাম (মিলিগ্রাম) দিনে 2 বার, 28 দিন (1 চক্র) খাবারের সাথে নেওয়া হয়। মোট 3টি চক্রের জন্য 14 দিনের জন্য অ্যালবেন্ডাজল না খাওয়ার পরে এটি করা হয়।
প্রাপ্তবয়স্কদের ওজন 60 কেজির কম – ডোজ শরীরের ওজনের উপর ভিত্তি করে এবং আপনার ডাক্তার দ্বারা নির্ধারণ করা আবশ্যক। ডোজ সাধারণত প্রতিদিন 15 মিলিগ্রাম প্রতি কেজি শরীরের ওজন, 2 ডোজে বিভক্ত, 28 দিনের জন্য খাবারের সাথে নেওয়া হয়। মোট 3টি চক্রের জন্য 14 দিনের জন্য অ্যালবেন্ডাজল না খাওয়ার পরে এটি করা হয়। ডোজ সাধারণত প্রতিদিন 800 মিলিগ্রামের বেশি হয় না।
শিশু-ব্যবহার এবং ডোজ অবশ্যই আপনার ডাক্তার দ্বারা নির্ধারিত হবে।
নিউরোসিস্টিসারকোসিসের জন্য:
60 কিলোগ্রাম (কেজি) বা তার বেশি ওজনের প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের – ডোজ শরীরের ওজনের উপর ভিত্তি করে এবং আপনার ডাক্তার দ্বারা নির্ধারণ করা আবশ্যক। ডোজ সাধারণত 400 মিলিগ্রাম (মিলিগ্রাম) দিনে 2 বার, খাবারের সাথে নেওয়া হয়, 8 থেকে 30 দিনের জন্য।
60 কেজির কম ওজনের প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের – ডোজ শরীরের ওজনের উপর ভিত্তি করে এবং আপনার ডাক্তার দ্বারা নির্ধারণ করা আবশ্যক। ডোজ সাধারণত প্রতিদিন 15 মিলিগ্রাম প্রতি কেজি শরীরের ওজন, 2 ডোজে বিভক্ত, খাবারের সাথে নেওয়া হয়, 8 থেকে 30 দিনের জন্য।

আরও পড়ুন:  সানি লিওনের এক্সপ্রেস ভিডিও

আরও পড়ুন:  রিয়েলমি 7i বাংলাদেশ প্রাইস,Realme 7i Price in Bangladesh

আরও পড়ুন: চেহারা সুন্দর করার দোয়া

আরও পড়ুন: ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় ছবি সহ
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়া টু বাংলাদেশ বিমান ভাড়া কত

আমাদের আর্টিকেল বিষয়ে কারো কোন অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে তা নিচে কমেন্ট এর মাধ্যমে অথবা আমাদেরকে ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে পারেন আমাদের আর্টিকেল রাইটিং টিম আপনার অভিযোগ বা পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করবে এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিবে

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

x
error: Content is protected !!