Tuesday, August 16, 2022
HomeQuestionsকোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি

কোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি

জানবো বিডি ডট নেট এর পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে স্বাগতম। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানবো কোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি,

  • কোমর ব্যথার ঔষধ ,
  • কোমর ব্যথার চিকিৎসা ,
  • কোমর ব্যথার কারণ ও প্রতিকার কি ,
  • কোমর ব্যথার হোমিওপ্যাথি ঔষধ,
  • কোমর ব্যথার নার্ভ ওষুধের দাম,
  • কোমর ব্যথার গাছ ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানব।

আমাদের www.gazivai.comওয়েবসাইট থেকে আপনার প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটা করুন। সবথেকে কম দামে পণ্য কিনতে ভিজিট করুনwww.gazivai.com

কোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি

বিশ্বের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ১ জন কোমরের ব্যথায় কষ্ট পান।নভেল করোনা ভাইরাসের ভয় আমাদের গ্রাস করলেও ব্যথা-বেদনাকে জব্দ করতে পারেনি এতটুকুও। টানা কয়েক মাস গৃহবন্দি হয়ে থাকায় কোমর বা হাঁটুর ব্যথা বেড়ে গেছে অনেকেরই। বিশ্বের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ১ জন কোমরের ব্যথায় কষ্ট পান। তা হলে প্রায় ৮০০ কোটি জনসংখ্যার এই গ্রহে কত জন কোমরের ব্যথায় ভুগছেন, হিসেব কষতে বসলে চোখ কপালে উঠবে!

মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে অজস্র মানুষ কোমরের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন। আমরা যাকে ‘কোমর’ বলি, চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় তাকে বলে লাম্বার স্পাইন, বললেন ফিজিক্যাল মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ মৌলিমাধব ঘটক। ভুল ভঙ্গিমায় শোওয়া-বসা, হাঁটা চলা, সামনে ঝুঁকে ভারী জিনিস তোলা বা কখনও কখনও রিকশা, অটো বা বাসে ঝাঁকুনি লেগেও কোমরে ব্যথা শুরু হতে পারে।

মৌলিমাধববাবু জানান, বেশি বয়সে হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মেরুদণ্ডের দুটি কশেরুকার মাঝখানে যে ডিস্ক আছে, তাও ক্ষয়ে যায় বলে ব্যথা শুরু হয়, একে বলে ‘স্পন্ডাইলোসিস’।

কোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি
কোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি

আরো পড়ুনঃ পড়ার টেবিল কোড  ১ কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

কোমর ব্যথার ঔষধ

আসলে প্রতিদিনের কাজকর্মের সময় শরীরের বিভিন্ন অংশে ওয়্যার অ্যান্ড টিয়ার হয়। অল্প বয়সে এই ক্ষয় পূরণ হয়ে গেলেও বেশি বয়সে তা হয় না। ফল স্বরূপ কোমরে ব্যথা করে। কোমরে ব্যথা শুরু হলে প্রথম চিকিৎসা বিশ্রাম।

মৌলিমাধববাবু জানান, ব্যথা কিন্তু হাড়ে হয় না, হয় পেশিতে। যথাযথ শরীরচর্চার অভাবে কোমরের দিকের পেশি বা মাসল শক্ত হয়ে যায়। এর সঙ্গে হাড়ের ক্ষয় যোগ হলে স্প্যাজম শুরু হয়।

কোমরে ব্যথা হলে বিশ্রাম নেওয়ার পাশাপাশি পেশির স্প্যাজমের ওষুধ দেওয়া হয়। ফলে ব্যথা কমে। অবশ্য খুব প্রয়োজন না হলে ব্যথার ওষুধ দেওয়া হয় না। এই প্রসঙ্গে মৌলিমাধবাবু বলেন যে, পেশির সংকোচন বা স্প্যাজম কিন্তু শরীরের একটা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। স্প্যাজমের ফলে ব্যথা হলে মানুষ বাধ্য হয়েও বিশ্রাম নেয়।

এর ফলে হাড় কিছুটা রক্ষা পায়, শরীর বড় ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচানোর জন্যে স্প্যাজম তৈরি করে। শুধু ব্যথার ওষুধ খেয়ে ব্যথা কমালে হাড়ের ক্ষয় বাড়বে। তাই কোমরের ব্যথায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যথার কারণ জেনে চিকিৎসা করা উচিত বলে পরামর্শ মৌলিমাধববাবুর।

কোমর ব্যথার চিকিৎসা

কোমরে ব্যথা যে শুধু বয়স্ক মানুষদের হয় তা নয়, অল্প বয়সেও কোমরের ব্যথার ভোগান্তি হয়, বললেন অর্থোপেডিক সার্জন সুদীপ্ত ঘোষ। কম বয়সে কোমরের ব্যথার বিভিন্ন কারণের মধ্যে আছে স্লিপ ডিস্ক এবং দাঁড়িয়ে, বসে বা একই ভঙ্গিতে দীর্ঘক্ষণ থাকা এবং সামনে ঝুঁকে ভারি ওজন তোলার মতো ভুল ভঙ্গিমা। এর থেকে স্লিপ ডিস্ক ও মাসল স্প্যাজম হয়ে ব্যথার সূত্রপাত হয়।

এই অবস্থায় অবস্থানের বদল এনে ও বিশ্রাম নিয়ে সঠিক চিকিৎসা না করালে ব্যথার সমস্যা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, সাবধান করলেন সুদীপ্তবাবু। বেশি বয়সে কোমরে ব্যথার মূল কারণ লাম্বার স্পন্ডাইলোসিস। মূলত মেরুদণ্ডের হাড়ের ক্ষয় ও পেশির নমনীয়তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে কোমরে ব্যথার কষ্ট নিয়ে দিন যাপন করতে হয়। অনেকের আবার কোমরের একটা হাড় অন্য হাড়ের উপর উঠে যায়। সেক্ষেত্রেও কোমরের ব্যথার ভোগান্তি হতে পারে।

সুদীপ্ত ঘোষ জানালেন, এই সমস্যার ডাক্তারি নাম স্পন্ডাইলোলিস্থেসিস। এই সমস্যা হলে কোমরের ব্যথার পাশাপাশি ব্যথা ঊরু হয়ে পায়ের দিকে নেমে আসতে পারে। পায়ের পিছন দিকের পেশিও শক্ত হয়ে যায়। মূলত খেলোয়াড়দের মধ্যে এই সমস্যার ঝুঁকি বেশি। ফুটবল, জিমন্যাস্টিক, ভারোত্তোলন ছাড়াও যাঁরা স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করেন তাঁদেরও এই সমস্যা হতে পারে।

কোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি
কোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি

আরো পড়ুনঃ ইন্ডিয়ান কস্তুরি গোল্ড কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

বয়স্ক মানুষদের কোমরে ব্যথার মূলে আছে অস্টিওপোরোসিসের কারণে মেরুদণ্ডের হাড় সংকুচিত হয়ে পড়া। এর ফলে নার্ভ ও পেশিতে চাপ পড়ে ব্যথার কষ্ট হয়।

আমাদের দেশে প্রতি বছর প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ ভাটিব্রাল কম্প্রেশনে কষ্ট পান। এই সমস্যা বাড়লে অনেক সময় ভার্টিব্রোপ্লাস্টি করে অর্থাৎ মেরুদণ্ডের হাড়ের মধ্যে বোনসিমেন্ট পাঠিয়ে সমস্যার সমাধান করা হয়।

এছাড়া প্রচলিত চিকিৎসা তো আছেই, বললেন সুদীপ্ত ঘোষ। তবে শুধুই যে হাড় ক্ষয়ে যাওয়া বা পেশির নমনীয়তা কমে যাওয়ার কারণে কোমরে ব্যথা হয়, তা নয়।

আরও পড়ুন:  সানি লিওনের এক্সপ্রেস ভিডিও

আরও পড়ুন:  রিয়েলমি 7i বাংলাদেশ প্রাইস,Realme 7i Price in Bangladesh

আরও পড়ুন: চেহারা সুন্দর করার দোয়া

আরও পড়ুন: ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় ছবি সহ
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়া টু বাংলাদেশ বিমান ভাড়া কত

কোমর ব্যথার কারণ ও প্রতিকার কি

কিডনিতে স্টোন হলে, প্যাংক্রিয়াসের অসুখ হলে, স্পাইনা-বাইফিডা নামে জন্মগত ত্রুটি থাকলে, বা অন্য কোনও বড় অসুখের উপসর্গ হিসেবেও কোমরের ব্যথা হতে পারে। টানা তিন মাস যদি কেউ কোমরের ব্যথায় কষ্ট পান, কোমরের পাশাপাশি পায়ের পেশিতেও টান ধরে বা অবশ হয়ে যায়, প্রস্রাবে বা মলত্যাগে সমস্যা হয়, তা হলে অন্য কোনও বড় অসুখের কথা ভাবতে হবে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজন হলে এমআরআই করতে হতে পারে, বললেন সুদীপ্তবাবু।

আরো পড়ুনঃ বীর্য ঘন ও গাঢ় করার সেলেনিয়াম ঔষধ কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ২০ মিনিট করার ভিগা স্প্রে কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ লিংগ পিচ্ছিল করার KY লুব্রিকেন্ট জেল ক্রয় করার জন্য – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ বায়োমেনিক্স কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মেজিক কনডম সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ড্রাগন কনডম সরাসরি কিনতে ক্লিক করুনএখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ছেলেদের মেল এক্সট্রা  ট্যাবলেট কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ইন্ডিয়ান কস্তুরি গোল্ড কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ জিনসিন পাউডার সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ইন্ডিয়ান সান্ডার তেল কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

ব্যথা হওয়ার আগেই এই সমস্যাকে দূরে সরিয়ে রাখতে বললেন মৌলিমাধব ঘটক। ছোট থেকেই নিয়মিত শরীরচর্চা করা, পুষ্টিকর খাবার খেয়ে ওজন ঠিক রাখলে ভবিষ্যতে কোমরের ব্যথায় কষ্ট পেতে হবে না। কোভিড-১৯-এর ভয়ে নিজেরা ব্যথার ওষুধ না খেয়ে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, ব্যথা মুক্ত থাকুন।

শতকরা ৯০ শতাংশ লোক জীবনের কোনো না কোনো সময়ে কোমর ব্যথায় ভোগে। স্বল্পমেয়াদি ব্যথা এক মাসের কম সময় থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রোনিক ব্যথা এক মাসের অধিক সময় থাকে। উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ৯০ শতাংশ রোগী দুই মাসের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।

কারণ

* লাম্বার স্পনডোলাইসিস : কোমরের পাঁচটি হাড় আছে। কোমরের হাড়গুলো যদি বয়সের কারণে বা বংশগত কারণে ক্ষয় হয়ে যায়, তখন তাকে লাম্বার স্পনডোলাইসিস বলে।

* পিএলআইডি : এটিও শক্তিশালী একটি কারণ। এটি সাধারণত ২৫ থেকে ৪০ বছরের মানুষের ক্ষেত্রে বেশি হয়। মানুষের হাড়ের মধ্যে ফাঁকা জায়গা থাকে। এটি পূরণ থাকে তালের শাঁসের মতো ডিস্ক বা চাকতি দিয়ে। এ ডিস্ক যদি কোনো কারণে বের হয়ে যায়, তখন স্নায়ুমূলের ওপরে চাপ ফেলে। এর ফলে কোমরে ব্যথা হতে পারে।

* বড় কোনো আঘাতের ইতিহাস থাকলে, কোমর ব্যথার পাশাপাশি বুকে ব্যথা হলে, রোগীর আগে কখনও যক্ষ্মা হয়ে থাকলেও বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে।

* ক্যান্সার, অস্টিওপোরোসিস, এইডস, দীর্ঘকাল স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবনের ইতিহাস থাকলে কোমর ব্যথাকে অবহেলা করা চলবে না।

* ব্যথার পাশাপাশি জ্বর, শরীরের ওজন হ্রাস, অরুচি, অতিরিক্ত ঘাম ইত্যাদি উপসর্গ থাকলে এবং ব্যথাটা কোমর ছাড়িয়ে পায়ের দিকে বিশেষ করে এক পায়ের হাঁটুর নিচ পর্যন্ত ছড়ালে অথবা এক পায়ে তীব্র ব্যথা বা অবশভাব হলে সতর্ক হতে হবে।

* প্রস্রাব বা পায়খানার সমস্যা, মলদ্বারের আশপাশে বোধহীনতা, মেরুদণ্ডে বক্রতা, পায়ের দুর্বলতা বা পায়ের মাংসপেশির শুষ্কতা ইত্যাদি উপসর্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। কোমর ব্যথার সঙ্গে উল্লিখিত যে কোনো উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

লক্ষণ

* প্রথম দিকে এ ব্যথা কম থাকে এবং ক্রমান্বয়ে তা বাড়তে থাকে।

* অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকলে এ ব্যথা কিছুটা কমে আসে। কোমরে সামান্য নড়াচড়া হলেই এ ব্যথা বেড়ে যায়।

* ব্যথার সঙ্গে পায়ে ব্যথা নামতে বা উঠতে পারে, হাঁটতে গেলে পা খিঁচে আসে বা আটকে যেতে পারে, ব্যথা দুই পায়ে বা যে কোনো এক পায়ে নামতে পারে। কোমরের মাংসপেশি কামড়ানো ও শক্ত ভাব হয়ে যাওয়া।

* প্রাত্যহিক কাজে, যেমন- নামাজ পড়া, তোলা পানিতে গোসল করা, হাঁটাহাঁটি করা ইত্যাদিতে কোমরের ব্যথা বেড়ে যায়।

ব্যথার সময় আর যা হয়

* প্রথমে কোমরে অল্প ব্যথা থাকলেও ধীরে ধীরে ব্যথা বাড়তে থাকে। অনেক সময় হয়তো রোগী হাঁটতেই পারে না।

* ব্যথা কখনও কখনও কোমর থেকে পায়ে ছড়িয়ে পড়ে। পায়ে ঝিনঝিন ধরে থাকে।

* সকালে ঘুম থেকে উঠে পা ফেলতে সমস্যা হতে পারে।

* পা অবশ ও ভারী হয়ে যায়। পায়ের শক্তি কমে যায়।

* মাংসপেশি মাঝে মধ্যে সংকুচিত হয়ে যায়।

কোমর ব্যথার নার্ভ ওষুধের দাম

রোগ নির্ণয়

* কোমরের কিছু পরীক্ষা রয়েছে। ফরোয়ার্ড বন্ডিং পরীক্ষা, ব্যাকওয়ার্ড বন্ডিং পরীক্ষা।

* নিউরোলজিক্যাল ডিফিসিয়েন্সি আছে কী না, তা নির্ণয় করা হয়।

* কোমরের এক্স-রে এবং এমআরআই করতে হবে।

* রক্তের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা হয়। ক্যালসিয়ামের পরীক্ষা, ইউরিক এসিডের পরিমাণ, শরীরে বাত আছে কি না এসব পরীক্ষা করতে হয়।

* ক্রনিক ব্যাক পেনের ক্ষেত্রে এইচএলএবি-২৭ পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।

প্রাথমিক ক্ষেত্রে করণীয়

* সব সময় শক্ত সমান বিছানায় ঘুমাতে হবে। ফোমের বিছানায় ঘুমানো যাবে না এবং ফোমের নরম সোফায় অনেকক্ষণ বসা যাবে না।

* ঝুঁকে বা মেরুদণ্ড বাঁকা করে কোনো কাজ করবেন না।

* ঘাড়ে ভারী কিছু তোলা থেকে বিরত থাকুন। নিতান্তই দরকার হলে ভারী জিনিসটি শরীরের কাছাকাছি এনে কোমরে চাপ না দিয়ে তোলার চেষ্টা করুন।

* নিয়মিত শারীরিক অর্থাৎ কায়িক পরিশ্রম করতে হবে। শারীরিক শ্রমের সুযোগ না থাকলে ব্যায়াম অথবা হাঁটার যতটুকু সুযোগ আছে তাকে কাজে লাগাতে হবে।

* মোটা ব্যক্তির শরীরের ওজন কমাতে হবে। সবার ক্ষেত্রেই সবসময় ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।কোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি

* একই জায়গায় বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা যাবে না।

* ঘুমানোর সময় সোজা হয়ে ঘুমাতে হবে। কোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি বেশি নড়াচড়া করা যাবে না। ঘুম থেকে ওঠার সময় যে কোনো একদিকে কাত হয়ে ওঠার চেষ্টা করতে হবে।

কোমর ব্যথার হোমিওপ্যাথি ঔষধ

গুরুতর অবস্থায় করণীয়

* অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ সেবন করতে হবে।

* চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি চিকিৎসকের দ্বারা রোগীকে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন, আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি, লাম্বার ট্রাকশন ও বিভিন্ন ব্যায়াম করাতে হবে।

* দীর্ঘদিন মেডিসিন চিকিৎসা চালানোর পরও রোগীর অবস্থার পরিবর্তন না হয় রোগীকে অবস্থা অনুযায়ী কোমর- মেরুদণ্ডের অপারেশন বা সার্জারির প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসা

* হালকা ব্যথা হলে অবহেলা না করে ওষুধ এবং পূর্ণ বিশ্রাম নিতে হবে। কোমরে গরম ভাপ দিলে উপকার পেতে পারেন। কোমর ব্যথার বিভিন্ন মলম ব্যবহার করতে পারেন। তবে মালিশ করা যাবে না।

* ব্যথা তিন দিনের বেশি স্থায়ী হলে অবশ্যই একজন ফিজিওথেরাপিস্ট কিংবা নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। ব্যথা তীব্র হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি থেকে ফিজিওথেরাপি নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে তিন-চার সপ্তাহ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রাখা হতে পারে।

* কম ব্যথা হলে আউটডোর ফিজিওথেরাপি দেয়া হয়ে থাকে। অনেকেই কোমর ব্যথা হলে বিভিন্ন ব্যথা নাশক ওষুধ খেয়ে ফেলে। এটা একেবারে ঠিক নয়। বিভিন্ন কারণে কোমরে ব্যথা হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করা প্রয়োজন।

* ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনও এমন ওষুধ তৈরি হয়নি যে ওষুধ খেলে আপনার মাংসপেশি লম্বা হবে, শক্তিশালী হবে এবং আপনার জয়েন্ট মবিলিটি বেড়ে যাবে।কোমর ব্যথার ট্যাবলেট কি

থেরাপি বা এক্সারসাইজ-ইজ এ মেডিসিন যা আপনাকে ওই কষ্টগুলো থেকে মুক্তি দেবে। সুতরাং সম্পূর্ণ চিকিৎসা পেতে হলে আপনাকে সঠিক মোবিলাইজেশন, মেনুপুলেশন, স্ট্রেচিং এবং স্ট্রেন্দেনিংয়ের মতো চিকিৎসা করতেই হবে।

আমাদের আর্টিকেল বিষয়ে কারো কোন অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে তা নিচে কমেন্ট এর মাধ্যমে অথবা আমাদেরকে ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে পারেন আমাদের আর্টিকেল রাইটিং টিম আপনার অভিযোগ বা পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করবে এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিবে

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Maral gel
Maral gel
x
error: Content is protected !!