Sunday, November 27, 2022
Homeউপকারিতানেবুলাইজার ব্যবহারের নিয়ম

নেবুলাইজার ব্যবহারের নিয়ম

অনলাইন শপ ( গাজী ভাই ডট কম) এর পক্ষ থেকে আজকের আর্টিকেলটিতে নেবুলাইজার ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে কথা বলব : নেবুলাইজার ব্যবহারের নিয়ম ? এই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানব এবং বিস্তারিত আলোচনা করবো যদি আপনাদের কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন আমাদের। তো চলুন বন্ধুরা আর দেরি না করে এক্ষুনি শুরু করা যাক নেবুলাইজার ব্যবহারের সম্পর্কে আলোচনা।

নেবুলাইজার ব্যবহারের নিয়ম

সরাসরি অর্ডার করতে ফোন করুন- 01751358525
সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন –এখনই কিনুন

অনলাইনে ছেলেদের ও মেয়েদের যাবতীয় পার্সোনাল ও গোপনীয় পণ্যসামগ্রী সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কসমেটিক সামগ্রী দেশের সবচেয়ে কম দামে ক্রয় করতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট Gazivai.com

নেবুলাইজার ব্যবহারের নিয়ম

অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টের রোগীদের ফুসফুসে ওষুধ প্রয়োগের বহুল পরিচিত যন্ত্রটির নাম নেবুলাইজার। এই যন্ত্রটি দিয়ে তরল ওষুধকে সংকুচিত করে বায়ু বা অক্সিজেন দিয়ে স্প্রে বা অ্যারোসলে রূপান্তরিত করা হয়, যা খুব সহজেই নিঃশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসের শ্বাসনালী ও অ্যালভিউলিতে ঢুকে শ্বাসকষ্ট দূর করে।

নেবুলাইজার কোনও ওষুধ নয়, এটি একটি বিশেষ ধরনের শ্বাস-প্রশ্বাসের ডিভাইস বা যন্ত্র যা ফুসফুসের বিভিন্ন সমস্যা, যেমন- অ্যাজমা, হাঁপানি, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা, সিস্টিক ফাইব্রোসিস ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। তবে এর সঠিক ব্যবহার না জানা থাকলে ঠিকমতো ওষুধ প্রয়োগ করা হয় না আর ওষুধ প্রয়োগেই যদি ভুল হয় তবে অসুখ সারানো নিয়ে সন্দেহ থাকবেই। আর বেশির ভাগ মানুষ এর সঠিক যত্নও নিতে পারেন না।

নেবুলাইজার ব্যবহারের নিয়ম

নেবুলাইজার ব্যবহারে সচেতনতা প্রসঙ্গে পরামর্শ দিয়েছেন ব্র্যাক গবেষক ড. কামরান-উল-বাসেত। তিনি বলেছেন, নেবুলাইজার নিয়মিত ব্যবহার কোনও স্থায়ী সমাধান নয়। এতে রোগীর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার সাময়িক সমাধান হয় মাত্র। দুইবারের বেশি ব্যবহারে শ্বাসকষ্ট না কমলে হাসপাতালে নিতে হবে।

অনেকেই প্রয়োজনে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে নেবুলাইজার দেন। আবার কেউ কেউ বাসাতেই নিয়ে আসেন নেবুলাইজার মেশিন। তিন ধরনের নেবুলাইজার পাওয়া যায়। জেট, আলট্রাসাউন্ড ও মেশ বা জালের মতো নেবুলাইজার। এদের মধ্যে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতির বলে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় জেট নেবুলাইজার। অ্যাজমা, দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য শ্বাসনালীজনিত রোগের তীব্রতা বাড়লে নেবুলাইজার দেয়ার প্রয়োজন হয়। এর কয়েকটি অংশের মধ্যে তরল ওষুধ প্লাস্টিকের টিউবের মাধ্যমে স্প্রে করে দেহে প্রবেশ করানো হয়।

নেবুলাইজারে ওষুধের মাত্রা
নেবুলাইজ করার সময় রোগীকে আরামদায়কভাবে শোয়া অবস্থায় রাখতে হবে। নেবুলাইজারের বিভিন্ন অংশগুলো জোড়া দিয়ে ২৩ মিলি পানি, ৫-১ সালবিউটামল ও প্রয়োজনে ৫ মিলি ইপ্রাট্রোসিয়াম সলিউশান মিশিয়ে নিতে হবে। বিদ্যুৎ সুইচ অন করে মাস্ক মুখে নিয়ে রোগীকে ধীরে ও লম্বা শ্বাস নিতে হবে। ৩-৬ মিলি তরল ৫/১০ মিনিটে নেবুলাইজ করা হয়।

নেবুলাইজারের ব্যবহারের
নেবুলাইজার ব্যবহারের আগে ও পরে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। ব্যবহারের পর নেবুলাইজারের কমপ্রেসর, টিউব, মাস্ক ও নেবুলাইজার আলাদা করে ফেলতে হবে। মাউথপিস ও নেবুলাইজার গরম পানিতে ৩০ সেকেন্ড ভিজিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। টিউব ও কমপ্রেসর ভেতরে পরিষ্কার করা যায় না বলে বাইরের দিকটা পরিষ্কার করতে হবে। মাস্ক ছয় মাস পর পর বদলাতে হবে। ফিল্টারে ময়লা দেখা দিলেই তা বদলে ফেলতে হবে।

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার পিউটন সিরাপ কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ করার মারাল জেল কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ছেলেদের টাইটান জেল সরাসরি কিনতে ক্লিক-এখনই কিনুন

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

x
error: Content is protected !!