Tuesday, August 16, 2022
Home Blog

২৬ মার্চ কি দিবস

0

২৬ মার্চ কি দিবস

২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালিত বাংলাদেশের জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে (কাল রাত) তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু করে। ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এক তার বার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ২৬ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে এম এ হান্নান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণের ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। পরে ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমান একই কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করেন।

১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারিভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

আরো পড়ুনঃ ওজন কমানোর  ইন্ডিয়ান ঔষধ কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

প্রেক্ষাপট

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার গভীর রাতে পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) নিরীহ জনগণের উপর হামলা চালায়। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গোলাবর্ষণ করা হয়, অনেক স্থানে নারীদের উপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয় এবং অনেক স্থানে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়।

এমতাবস্থায় বাঙালিদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয় এবং অনেক স্থানেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা না করেই অনেকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। পরবর্তিতে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাবার পর আপামর বাঙালি জনতা পশ্চিম পাকিস্তানি জান্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে এবং ভারতের অবিস্মরণীয় সমর্থনের ফলস্বরূপ দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন করে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়।

অপারেশন সার্চলাইট

অপারেশন সার্চলাইট ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত পরিকল্পিত গণহত্যা, যার মধ্যমে তারা ১৯৭১ এর মার্চ ও এর পূর্ববর্তী সময়ে সংঘটিত বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দমন করতে চেয়েছিল।[১] এই গণহত্যা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি শাষকদের আদেশে পরিচালিত,যা ১৯৭০ এর নভেম্বরে সংঘটিত অপারেশন ব্লিটজ্‌ এর পরবর্তি অনুষঙ্গ। অপারেশনটির আসল উদ্দেশ্য ছিল ২৬ মার্চ এর মধ্যে সব বড় বড় শহর দখল করে নেয়া এবং রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধীদের এক মাসের ভেতর নিশ্চিহ্ন করে দেয়া

স্বাধীনতার ঘোষণা

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্য রাতে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তার হবার একটু আগে ২৫শে মার্চ রাত ১২টার পর (২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে) তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন যা চট্টগ্রামে অবস্থিত তৎকালীন ই.পি.আর এর ট্রান্সমিটারে করে প্রচার করার জন্য পাঠানো হয়

অনুবাদ: এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উত্খাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক

স্বাধীনতা দিবস উৎযাপন

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস বেশ বর্ণাঢ্য ভাবে উদ্‌যাপন করা হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে উদ্‌যাপন শুরু হয়। ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের শুভ সূচনা করা হয়।[১১] সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন রঙের পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়। জাতীয় স্টেডিয়ামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও শরীরচর্চা প্রদর্শন করা হয়

স্বাধীনতা পুরস্কার

স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে এই পদক প্রদান করা হয়। এই পুরস্কার জাতীয় জীবনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিক এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠিকে প্রদান করা হয়ে থাকে।

আরো পড়ুনঃ কাবলি পাঞ্জাবি পাইকারি কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ পাঞ্জাবি কোড 540 পাইকারি কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

অধরা নামের অর্থ কি । Adhara Name Meaning in Bengali

অধরা নামের অর্থ কি। বন্দুরা আমাদের কাছে অনেকেই অধরা নামের বাংলা অর্থ এবং নামের ইসলামিক অর্থ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন । তাই janbobd.net নিয়েএলো সব ধরনের নাম ও নামের অর্থ । তাহলে দেরি না করে চলুন জেনে নেই অধরা নামের অর্থ কি বিস্তারিত।

আরও পড়ুন:  সানি লিওনের এক্সপ্রেস ভিডিও

আরও পড়ুন: ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় ছবি সহ

এছারা জানব, অধরা নামের অর্থ কি? । Adhara Name Meaning In Bengali অধরা শব্দের অর্থ কি? অধরা নামটি ইসলামিক কিনা , অধরা নামের ইসলামিক অর্থ কি? অধরা নামের ইংরেজি বানান কি? অধরা নামের সাথে সংযুক্ত আরো কিছু নাম, অধরা নামের মেয়েরা কেমন হয়। পাইকারি দামে কিনতে ভিজিট করুন – https://www.gazivai.com.

অধরা নামের অর্থ কি

অধরা নাম সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিস্তারিত জানতে হলে নিচের সম্পূর্ন পোস্ট পড়ুন এবং পরবর্তীতে কোন নাম সম্পর্কে বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে হলে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

অধরা শব্দের অর্থ কি

অধরা নামটি খুবই সুন্দর একটি নাম । অধরা নামটি সাধারণত মেয়েদের নাম। বাংলাদেশের অনেক মেয়ের নামই অধরা। অধরা নামটা কিন্তু খুবই সুন্দর একটি নাম। অধরা নাঅমের অর্থ হল ধরা ছোঁয়ার বাইরের বস্তু বা ব্যক্তি।

অধরা নামটি মূলত মেয়েদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়।উচ্চারণে সাবলীল এই নামটি আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়। অধরা নামটি মূলত মেয়েদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। উচ্চারণে সাবলীল এই নামটি আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়।

অধরা নামের অর্থ কি

অধরা শব্দের অর্থ কি

অধরা শব্দের অর্থ হল ধরা ছোঁয়ার বাইরের বস্তু বা ব্যক্তি। আসলে অধরা নামটি মেয়েদের নাম হিসাবে রাখা হয়। অধরা অত্যন্ত সুন্দর একটি নাম।গোটা বিশ্বে অনেক মেয়ের নাম অধরা ।

পবিত্র ইসলাম ধর্মে মুসলমানদের সঠিক ও সুন্দর অর্থপূর্ণ ইসলামিক নাম রাখার ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই প্রতিটি মুসলিম পরিবারের সন্তানদের নাম রাখার জন্য বাবা মা এর তৎপর হওয়া উচিত।

অধরা নামের অর্থ কি

অধরা নামটি ইসলামিক কিনা

অধরা নামটি অবশ্যই একটি ইসলামিক নাম আনিমা ইসলামিক পরিভাষার একটি নাম। আনিমা হলো একটি আরবি শব্দ। অধরা নামটি সুন্দর একটি ইসলামিক নাম।

অধরা নামের ইসলামিক অর্থ কি

অধরা নামের ইসলামিক অর্থ হল ধরা ছোঁয়ার বাইরের বস্তু বা ব্যক্তি। নাম রাখার ব্যাপারে হজরত রাসূল (সা.) শিশুর জন্মের সপ্তম দিন নবজাতকের উত্তম ও সুন্দর অর্থবোধক নাম রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

অধরা নামটি মূলত মেয়েদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। উচ্চারণে সাবলীল এই নামটি আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়। আপনি মুসলিম পরিবারের হলে আনিমা নামটি আপনার পরিবারের যেকোনো মেয়ে শিশুর জন্য রাখতে পারবেন

অধরা নামের ইংরেজি বানান কি

অধরা নামের ইংরেজি বানান হল Adhara, Adhara, Adhara

অধরা নামের সাথে সংযুক্ত আরো কিছু নাম

আমরা নিজেই অধরা নামের সাথে বেশ কিছু উপাধি লাগিয়ে বেশ কয়েকটা নাম তৈরি করে দিলাম যা আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।

  1. অধরা সুলতানা
  2. অধরা খাতুন
  3. অধরা হাসান
  4. অধরা পারভীন
  5. অধরা হাসাান
  6. অধরা সাবেরা
  7. অধরা আলম
  8. অধরা আক্তার
  9. অধরা খাতুন
  10. অধরা বেগম
  11. অধরা হোসেন
  12. অধরা খান
  13. অধরা চৌধুরী

14 অধরা রহমান

  1. অধরা সরকার
  2. অধরা খান আয়াত
  3. অধরা আহমেদ
  4. অধরা শেখ
  5. অধরা হক
  6. সুমাইয়া তাবাসসুম খান অধরা
  7. অধরা নাওয়ার
  8. উম্মে আক্তার অধরা
  9. ছামিয়া খান অধরা
  10. আফিয়া অধরা
  11. অধরা শিকদার
  12. অধরা খন্দকার

অধরা নামের মেয়েরা কেমন হয়

বন্ধুরা নাম দিয়ে কোন মানুষকে বিচার করা উচিত নয় কেননা পৃথিবীতে একই নামে একাধিক মানুষ রয়েছে কিন্তু প্রত্যেকের চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ আলাদা। উপরওয়ালাই প্রত্যেককে আলাদা চরিত্রের অধিকারী করে বানিয়েছেন তাই নাম দিয়ে কোন মানুষকে বিচার করা উচিত।

উপসংহার: উপরে আমি খুব ভালোভাবে অধরা নামের অর্থটি নিয়ে আলোচনা করেছি আশা করছি আপনাদের বুঝতে কোন সমস্যা নেই। আমরা সবসময় বলে থাকি কোনো নাম বা নামের অর্থ ‍দিয়ে কাউকে যাচাই করা উচিত নয়। প্রতিটি মানুষ আলাদা আলাদা চরিত্রের অধিকারী। প্রতিটি মানুষের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে তার নাম, উপনাম কিংবা উপাধি।

আরো পড়ুনঃ স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলন দাম্পত্য জীবন বই কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ আরবি ভাষা শিক্ষার বই কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরশ নামের অর্থ কি । Arosh Name Meaning in Bengali

আরশ নামের অর্থ কি। বন্দুরা আমাদের কাছে অনেকেই আরশ নামের বাংলা অর্থ এবং আরশ নামের ইসলামিক অর্থ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন । তাই janbobd.net নিয়েএলো সব ধরনের নাম ও নামের অর্থ । তাহলে দেরি না করে চলুন জেনে নেই আরশ নামের অর্থ কি বিস্তারিত।

আরও পড়ুন:  সানি লিওনের এক্সপ্রেস ভিডিও

আরও পড়ুন: ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় ছবি সহ

এছারা জানব, আরশ নামের অর্থ কি? | Arosh Name Meaning In Bengali আরশ শব্দের অর্থ কি? আরশ নামটি ইসলামিক কিনা, আরশ নামের ইসলামিক অর্থ কি? আরশ নামের ইংরেজি বানান কি? আরশ নামের সাথে সংযুক্ত আরো কিছু নাম, আরশ নামের ছেলেরা কেমন হয়। পাইকারি দামে কিনতে ভিজিট করুন – https://www.gazivai.com.

আরশ নামের অর্থ কি

আরশ নাম সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিস্তারিত জানতে হলে নিচের সম্পূর্ন পোস্ট পড়ুন এবং পরবর্তীতে কোন নাম সম্পর্কে বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে হলে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

আরশ নামের অর্থ কি

আরশ (Arosh) নামের অর্থ রাজাসন। আবার, ধর্মীয় ও বাংলা অভিধান ভেদে আরশ নামের অন্য একটি অর্থ হলো সিংহাসন ।আরশ (Arosh) নামটি বাংলাদেশ ও ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম।

“আরশ”, সুন্দর এই নামের ব্যবহার বাংলাদেশে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, শুধু বাংলাদেশেই নয় সম্প্রতি আরশ নামটির ব্যবহার ভারতেও বাড়ছে। তাই আপনার কিংবা আত্মীয় স্বজনের সন্তানের নাম হিসেবে আরশ অবশ্যই পছন্দ তালিকার শীর্ষে থাকবে বলে আশা করাই যায়।

আরশ নামের অর্থ কি

আরশ শব্দের অর্থ কি

আরশ শব্দের অর্থ হল রাজাসন। আবার, ধর্মীয় ও বাংলা অভিধান ভেদে আরশ নামের অন্য একটি অর্থ হলো সিংহাসন । আরশ নামটি খুবই সুন্দর একটি নাম । আরশ নামটি সাধারণত ছেলেদের নাম। বাংলাদেশের অনেক ছেলের নামই আরশ।

আরশ নামটি খুবই সুন্দর একটি নাম। আরশ নামের মত আরশ নামের অর্থ গুলো কিন্তু খুবই সুন্দর। আপনারা চাইলেই নিজেদের ভাই বা সন্তানের নাম আরশ রাখতে পারেন। আরশ নামটি একটি ইসলামিক নাম।

আরশ নামের অর্থ কি

আরশ নামটি ইসলামিক কিনা

হ্যা পাঠক, আরশ নামটি অবশ্যই রাখা যাবে। আরশ একটি ইসলামিক নাম, ধর্মীয় দৃষ্টিতেও আরশ নামটি রাখার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।

আরশ নামের ইসলামিক অর্থ কি

আরশ নামের ইসলামিক অর্থ হল রাজাসন। আবার, ধর্মীয় ও বাংলা অভিধান ভেদে আরশ নামের অন্য একটি অর্থ হলো সিংহাসন । আরশ নামটি খুব সুন্দর একটি ইসলামিক জনপ্রিয় কমন নাম । মুসলিম দেশগুলোতে এ নামটি ব্যাপক প্রচলন রয়েছে।

মুসলিম পরিবারে সন্তানের সুন্দর নাম রাখার ব্যাপারে তাগিদ দেয়া হয়েছে।কেননা হাদীসে এসেছে আল্লাহ তায়লা বলেছেন কেয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের নাম ও তোমাদের পিতার নাম ধরে ডাকা হবে। তাই তোমরা তোমাদের নামগুলোক সুন্দর অর্থবহ করে রাখ। তাই সন্তানের জন্য সুন্দর ইসলামিক নাম রাখা আমাদের প্রত্যেকের উচিত।

আরশ নামের সাথে সংযুক্ত আরো কিছু নাম

আশা করি আরশ নামটি আপনার পছন্দ হয়েছে, তাই যদি আপনি আপনার শিশুর জন্য আরশ (Arosh) নামটি রাখতে চান তাহলে নিচে সাজেশন লিস্টে পছন্দসই ভালো নামটি বেছে নিতে পারেন।
নাহিয়ান আরশ
আরশ ভুঁইয়া
মাহিরাদ আরশ
রাকিব হাসান আরশ
আরশ রাইয়ান
আরিয়ান আরশ
আরশ আরাফাত
মুশফিকুর রহমান আরশ
আরশ তালুকদার
আরশ হাসান আরশ
আরশ আলম
আরশ বিন রাশেদ
আরশ মুনতাহার
আবরার ইয়াসিন আরশ
তাহমিদ হাসান আরশ
তাশাহুদ আহমেদ আরশ
আরশ মাহমুদ
তরিকুল ইসলাম আরশ
ফাহিদুজ্জাম আরশ
আরশ সালেহ
আরশ ইসলাম
আরশ খান
আরশ হক
আরশ আহমেদ
আরশ চৌধুরী
আরশ রাজিব
আরশ রাজু
আরশ কামাল
আরশ হোসেন
মুনতাসীর আরশ
রিফাত ইসলাম আরশ
রাকিবুল ইসলাম আরশ
মোঃ আরশ
আরশ শরীফ
তওসিব আহমেদ আরশ
আরশ আহমেদ রাজু

আরশ নামের ছেলেরা কেমন হয়

আরশ নামের শিশুরা তো আর সারাজীবন শিশু থাকেনা, একসময় তারা বড় হয় , এসময় পাল্টায় আরশর আচরন। তবে আরশ নামের ছেলেদের মনটা বড় বেলায়ও শিশুদের মতই কোমল থাকে। বাবা মা কে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করে ও আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখে। আরশ নামের বাচ্চারা কখনো মিথ্যার আশ্রয় নেয়না, তবে এর পেছনে পিতা মাতার অবদানই বেশি রাখতে হয়।

আশা করি উপরের আলোচনা থেকে আরশ নাম সম্পর্কে জেনে গেছেন পরবর্তীতে যে কোন নামের অর্থ জানতে হলে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন আমাদের সাথেই থাকুন।

আরো পড়ুনঃ ইন্ডিয়ান সান্ডার তেল কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ছেলেদের জিনজিন সিরাপ  কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ছেলেদের হাব্বে নিশাত ট্যাবলেট কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আনাস নামের অর্থ কি । Anas Name Meaning in Bengali

আনাস নামের অর্থ কি। প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ janbobdBD.Net এর পক্ষ থেকে জানাই আসসালামু আলাইকুম। আজকের আর্টিকেলটিতে জানাবো আনাস নাম সম্পর্কে। এছাড়াও যেকোনো বিষয় সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

আরও পড়ুন: ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় ছবি সহ

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়া টু বাংলাদেশ বিমান ভাড়া কত

এছারা জানব, আনাস নামের অর্থ কি? । Anas name Meaning in bengali, আনাস শব্দের অর্থ কি? আনাস নামটি ইসলামিক কিনা , আনাস নামের ইসলামিক অর্থ কি ? আনাস নামের ইংরেজি বানান কি? আনাস নামের সাথে সংযুক্ত আরো কিছু নাম, আনাস নামের ছেলেরা কেমন হয়। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ কম দামে পাইকারি মূল্যে পাইকারী ও খুচরা পণ্য কিনতে ভিজিট করুন https://www.gazivai.com.

 আনাস নামের অর্থ কি

আনাস নাম সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিস্তারিত জানতে হলে নিচের সম্পূর্ন পোস্ট পড়ুন এবং পরবর্তীতে কোন নাম সম্পর্কে বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে হলে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

আনাস নামের অর্থ কি

আনাস (Anas) নামের অর্থ আনন্দদায়ক সাহচর্য। আবার, ধর্মীয় ও বাংলা অভিধান ভেদে আনাস নামের অন্য একটি অর্থ হলো যে অন্যের মনে শান্তি আনে। আনাস (Anas) নামটি বাংলাদেশ ও ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম।

আপনারা যারা সন্তানের জন্য সুন্দর নামের বাংলা অর্থ খুজছিলেন তারা সিমরান নামটি ভেবে দেখতে পারেন। মানব সমাজে সন্তান জন্মগ্রহন করার পর তার নাম রাখা একটি সর্বজনীন রীতি। এ পৃতিবীতে নামহীন একজন ব্যাক্তিও পাওয়া যাবে না।

 আনাস নামের অর্থ কি

আনাস শব্দের অর্থ কি

আনাস শব্দের অর্থ হল আনন্দদায়ক সাহচর্য। আবার, ধর্মীয় ও বাংলা অভিধান ভেদে আনাস নামের অন্য একটি অর্থ হলো যে অন্যের মনে শান্তি আনে। বাংলাদেশে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, শুধু বাংলাদেশেই নয় সম্প্রতি সিমরান নামটির ব্যবহার ভারতেও বাড়ছে।

তাই আপনার কিংবা আত্মীয় স্বজনের মেয়ে সন্তানের নাম হিসেবে সিমরান অবশ্যই পছন্দ তালিকার শীর্ষে থাকবে বলে আশা করাই যায়। বাংলাদেশের অনেক ছেলের নাম সিমরান রাখা হয়।

 আনাস নামের অর্থ কি

আনাস নামটি ইসলামিক কিনা

হ্যা পাঠক, আনাস নামটি অবশ্যই রাখা যাবে। আনাস একটি ইসলামিক নাম, ধর্মীয় দৃষ্টিতেও আনাস নামটি রাখার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।

আনাস নামের ইসলামিক অর্থ কি

আনাস নামের ইসলামিক অর্থ হল আনন্দদায়ক সাহচর্য। আবার, ধর্মীয় ও বাংলা অভিধান ভেদে আনাস নামের অন্য একটি অর্থ হলো যে অন্যের মনে শান্তি আনে। মুসলিম দেশগুলোতে এ নামটি ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। মুসলিম পরিবারে সন্তানের সুন্দর নাম রাখার ব্যাপারে তাগিদ দেয়া হয়েছে।

কেননা হাদীসে এসেছে আল্লাহ তায়লা বলেছেন কেয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের নাম ও তোমাদের পিতার নাম ধরে ডাকা হবে। তাই তোমরা তোমাদের নামগুলোক সুন্দর অর্থবহ করে রাখ। তাই সন্তানের জন্য সুন্দর ইসলামিক নাম রাখা আমাদের প্রত্যেকের উচিত।

আনাস নামের ইংরেজি বানান কি

আনাস নামের ইংরেজি বানান বল Anas, Anas, Anas, Anas

আনাস নামের সাথে সংযুক্ত আরো কিছু নাম

আশা করি আনাস নামটি আপনার পছন্দ হয়েছে, তাই যদি আপনি আপনার শিশুর জন্য আনাস (Anas) নামটি রাখতে চান তাহলে নিচে সাজেশন লিস্টে পছন্দসই ভালো নামটি বেছে নিতে পারেন।
নাহিয়ান আনাস
আনাস ভুঁইয়া
মাহিরাদ আনাস
রাকিব হাসান আনাস
আনাস রাইয়ান
আরিয়ান আনাস
আনাস আরাফাত
মুশফিকুর রহমান আনাস
আনাস তালুকদার
আনাস হাসান আনাস
আনাস আলম
আনাস বিন রাশেদ
আনাস মুনতাহার
আবরার ইয়াসিন আনাস
তাহমিদ হাসান আনাস
তাশাহুদ আহমেদ আনাস
আনাস মাহমুদ
তরিকুল ইসলাম আনাস
ফাহিদুজ্জাম আনাস
আনাস সালেহ
আনাস ইসলাম
আনাস খান
আনাস হক
আনাস আহমেদ
আনাস চৌধুরী
আনাস রাজিব
আনাস রাজু
আনাস কামাল
আনাস হোসেন
মুনতাসীর আনাস
রিফাত ইসলাম আনাস
রাকিবুল ইসলাম আনাস
মোঃ আনাস
আনাস শরীফ
তওসিব আহমেদ আনাস
আনাস আহমেদ রাজু
আনাস গাজী
আনাস আব্দুল্লাহ
ওমর ফারুক আনাস
রায়ান কবির আনাস

আনাস নামের ছেলেরা কেমন হয়

আনাস নামের শিশুরা তো আর সারাজীবন শিশু থাকেনা, একসময় তারা বড় হয় , এসময় পাল্টায় আনাসর আচরন। তবে আনাস নামের ছেলেদের মনটা বড় বেলায়ও শিশুদের মতই কোমল থাকে। বাবা মা কে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করে ও আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখে। আনাস নামের বাচ্চারা কখনো মিথ্যার আশ্রয় নেয়না, তবে এর পেছনে পিতা মাতার অবদানই বেশি রাখতে হয়।

উপসংহার: আনাস নামের অর্থ কি আশা করি, বুঝতে পেড়েছেন আমাদের আনাস নামের অর্থ কি এই সম্পুর্ন আর্টিকেলটি পড়ে। আমরা যেমন না খেলে বেচে থাকতে পাড়ি না, তেমনি নামহীন পরিচয় বেমানান। তাইতো আমাদের উচিত সুন্দর একটি অর্থবোধক নাম রাখা এবং নামে যেনো কোনো ভুল ত্রুটি না থাকে।

আরো পড়ুনঃ ওজন কমানোর  ইন্ডিয়ান ঔষধ কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

ব্যাথার ট্যাবলেট এর নাম

Janbobd.net ও( গাজী ভাই ডট কম) এর পক্ষ থেকে আজকের আর্টিকেলটিতে ব্যাথার ট্যাবলেট এর নামম সম্পর্কে কথা বলব : ব্যাথার ট্যাবলেট এর নাম ? এই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানব এবং বিস্তারিত আলোচনা করবো যদি আপনাদের কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন আমাদের.। তো চলুন বন্ধুরা আর দেরি না করে এক্ষুনি শুরু করা যাক ব্যাথার ট্যাবলেট এর নাম সম্পর্কে আলোচনা।

ব্যাথার ট্যাবলেট এর নাম

সরাসরি অর্ডার করতে ফোন করুন- 01751358525
সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন –এখনই কিনুন

অনলাইনে ছেলেদের ও মেয়েদের যাবতীয় পার্সোনাল ও গোপনীয় পণ্যসামগ্রী সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কসমেটিক সামগ্রী দেশের সবচেয়ে কম দামে ক্রয় করতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট Gazivai.com

ব্যাথার ট্যাবলেট এর নাম

প্রাথমিক ব্যাথার কারণে আপনি প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ সেবন করতে পারেন। মধ্যম পরিমাণ ব্যাথার কারণে
ও ১২ বছরের নিচে শিশুদের ক্ষেত্রে ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ঔষধ গ্রহন করতে পারেন (তবে ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ওষুধ দীর্ষস্থায়ীভাবে সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে। দীর্ষস্থায়ীভাবে ব্যবহারের ফলে তলপেটে ব্যাথা এবং কিডনিতে সমস্যা হতে পারে)। প্রচন্ড ব্যাথার কারণে আপনি ন্যাপ্রক্সেন (ন্যাপ্রক্সেন-৩৭৫/ ন্যাপ্রক্সেন-৫০০ বা ন্যাপ্রক্সেন আইভি ইনজেকশন) জাতীয় ঔষধ সেবন করতে পারেন। এর পরেও ব্যাথা না কমলে ব্যাথার মূল কারণ কি তা জানার জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং তার প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করুন।

ব্যাথার ট্যাবলেট এর নাম

পার্শপ্রতিক্রিয়াঃ প্যারাসিটামল জাতীয়়় ওষুধ সাধারণত তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। বিশেষজ্ঞদের মতে
ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ওষুধ দীর্ঘস্থায়ীভাবে সেবন না করাই ভালো। কারণ এর দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারে কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ডাইক্লোফেনাক ও ন্যাপ্রক্সেন জাতীয় ঔষধে সাধারণত বমি বমি ভাব, পাকস্থলীতে গোলযোগ, বুকে জ্বালাপোড়া এবং গ্যাসট্রিকের সমস্যা হতে পারে। তাই ডাইক্লোফেনাক ও ন্যাপ্রক্সেন জাতীয় ঔষধ সেবন করার পর সব সময় গ্যাস্ট্রিকর জন্য ওমেপ্রাজল/ ইসোমিপ্রাজল/ প্যানটোপ্রাজল/ রেবিপ্রাজল জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করবেন।

যাদের ক্ষেত্রে গ্রহন করা যাবেনাঃ গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ ব্যাবহারে তেমন কোনো সমস্যা হয়না। ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ঔষধ গর্ভাবস্থায় ব্যাবহার করা যাবেনা। ন্যাপ্রক্সেন জাতীয় ঔষধ গর্ভাবস্থায় প্রখম দিকে ব্যবহার করা যাবে। তবে গর্ভাবস্থায় শেষের দিকে এবং শিশুকে দুগ্ধ দেওয়ার সময়ে ন্যাপ্রোক্সেন জাতীয় ঔষধ ব্যবহার না করাই ভালো।

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের স্তন – দুধ ছোট টাইট করার ক্রিম কিনতে ক্লিক –  এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের স্তন – দুধ বড় টাইট করার ক্রিম কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের যোনি টাইট করার ক্রিম কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ গোপনাঙ্গ ফর্সা করার ক্রিম কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

ডিজিটাল বাংলাদেশ রচনা

0

সূচনা: ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ একটি প্রত্যয়, একটি স্বপ্ন। বিরাট এক পরিবর্তন ও ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এখন এগিয়ে চলছে। একুশ শতকে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ৬ জানুয়ারি ২০০৯ শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো শপথ নেন। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের বছরে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণই ছিল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রধান বিষয়।

ইসলামী বইয়ের ৪ টির প্যাকেজটি সরাসরি কিনতে চাইলে ক্লিক করুন এখনই কিনুন 01751358526

ইসলামী বইয়ের 3 টির প্যাকেজটি সরাসরি কিনতে চাইলে ক্লিক করুন এখনই কিনুন 01751358526

অনলাইনে ছেলেদের ও মেয়েদের যাবতীয় পার্সোনাল ও গোপনীয় পণ্যসামগ্রী সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কসমেটিক সামগ্রী দেশের সবচেয়ে কম দামে ক্রয় করতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট Www.gazivai.com.

ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা: ১২ ডিসেম্বর, ২০০৮ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা করে যে ‘২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে’ পরিণত হবে। একটি উন্নত দেশ, সমৃদ্ধ ডিজিটাল সমাজ, একটি ডিজিটাল যুগের জনগোষ্ঠী, রূপান্তরিত উৎপাদনব্যবস্থা, নতুন জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি— সব মিলিয়ে একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের স্বপ্নই দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ডিজিটাল বাংলাদেশ বস্তুত জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রথম সোপান।

ডিজিটাল বাংলাদেশ রচনা

একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য যে সমৃদ্ধি ও উন্নত জীবন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম, ডিজিটাল বাংলাদেশ আমাদের সেই স্বপ্ন পূরণ করবে। ‘বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি’ ১৭ থেকে ১২ নভেম্বর ২০০৯-এ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ সামিট’ নামক এ বিষয়ে প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে, যাতে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা এবং অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো আলোচিত হয়।

ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা: বিজ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপই হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে একটি উন্নত, বিজ্ঞানমনস্ক সমৃদ্ধি বাংলাদেশকে বোঝায়।‘ডিজিটাল বাংলাদেশ হচ্ছে সেই সুখী, সমৃদ্ধ, শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর বৈষম্য, দুর্নীতি, দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ, যা প্রকৃতপক্ষেই সম্পূর্ণভাবে জনগণের রাষ্ট্র এবং যার মুখ্য চালিকাশক্তি হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তি।

’এটি বাংলাদেশের জনগণের উন্নত জীবনের প্রত্যাশা, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা। এটি বাংলাদেশের সব মানুষের ন্যূনতম মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর প্রকৃষ্ট পন্থা। এটি বাংলাদেশের জন্য স্বল্পোন্নত বা দরিদ্র দেশ থেকে সমৃদ্ধ ও ধনী দেশে রূপান্তরের জন্য মাথাপিছু আয় বা জাতীয় আয় বাড়ানোর অধিকার। এটি হচ্ছে একুশ শতকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।

ডিজিটাল বাংলাদেশ রচনা

ডিজিটাল বাংলাদেশের পথিকৃৎ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডিজিটাল বাংলাদেশের পথিকৃৎ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। কেননা, তিনি পথিকৃৎ হিসেবে লক্ষ অর্জনে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজ করে যাচ্ছেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জাতীয় অগ্রাধিকার: ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রথম জাতীয় অঙ্গীকার হচ্ছে ডিজিটাল টুলস ব্যবহার করে দেশ থেকে দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা পূরণ করা। এ জন্য জাতীয় পর্যায়ে অবকাঠামোগত উন্নয়নের অগ্রাধিকার থাকতে হবে। সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। প্রতিটি ঘরকে তার বা বেতার-পদ্ধতিতে ডিজিটাল নেটওয়ার্ক-ব্যবস্থায় যুক্ত করতে হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্য: ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১. প্রধান লক্ষ্য ২. রাজনৈতিক লক্ষ্য।

১. প্রধান লক্ষ্য: ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্তরে স্তরে এর অনুন্নত জীবনধারাকে বদলে বাংলাদেশের সমাজকে জ্ঞানভিত্তিক সমাজে রূপান্তর করা।কার্যত এ দেশের মানুষের জীবনযাপন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবস্থাপনা, কর্মপদ্ধতি, শিল্প-বাণিজ্য ও উৎপাদন, অর্থনীতি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনধারা এবং জনগণের সরকারসহ সব স্তরের সব কাজকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তর করা।

২. রাজনৈতিক লক্ষ্য: ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কিছু রাজনৈতিক লক্ষ্য রয়েছে। নিচে তা সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো।
ক) জনগণের রাষ্ট্র: ‘ডিজিটাল টুলস ব্যবহার করে জনগণের উন্নত জীবন যাপনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন, মৌলিক মানবিক অধিকার সংরক্ষণ, সব সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার নিশ্চয়তা থাকবে। এই রাষ্ট্রের জনগণের কাছে এই প্রযুক্তি সহজলভ্য ও সুলভ করা হবে।

খ) মৌলিক চাহিদা রাষ্ট্রকেই পূরণ করতে হবে: রাষ্ট্রকে জনগণের ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে হবে। জনগণ যাতে করে জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম হয়, তার জন্য তাকে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার শেখাতে হবে এবং সেই প্রযুক্তি তার কাছে রাষ্ট্রকেই সহজলভ্য করতে হবে। ‘দরিদ্র জনগণকে জ্ঞানকর্মী বা ডিজিটাল প্রযুক্তিকর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং গ্রামে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি, মেধা ও জ্ঞানভিত্তিক শিল্প-বাণিজ্যসহ কৃষি, শিক্ষা, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি খাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করতে হবে।’

গ) রাজনৈতিক ধারা: ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো সরকার, জাতীয় সংসদসহ সব রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ব্যবস্থা ডিজিটাল পদ্ধতিতে চালনা করা, যাতে জনগণ সব সময়ই সংসদ, সরকার ও রাজনীতিতে ইন্টার অ্যাকটিভ পদ্ধতিতে অংশ নিতে পারে।

অগ্রগতি: ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার প্রথম বছরে দৃঢ়তার সঙ্গে গড়ে তোলা হয়েছে এর ভিত্তি বা প্রথম সোপান। সরকার আইসিটি নীতিমালা অনুমোদন করেছে, সেটি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ, ই-কমার্স চালু করা, নতুন নতুন প্রযুক্তির লাইসেন্স প্রদান করা, সরকারের কাজের পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়ক সতর্কতা: বাংলাদেশে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে এর প্রভাব হিসেবে ডিজিটাল ডিভাইজ সম্প্রসারিত হতে পারে, যা ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ-সুবিধাভোগী শোষকগোষ্ঠী, ধনী বা বিশেষ সম্প্রদায়, শ্রেণী-গোষ্ঠীর জন্য আরও সহায়ক হতে পারে। কিন্তু জ্ঞানভিত্তিক সমাজে জ্ঞানহীন হওয়ায় সুযোগহীন মানুষের জীবনযাপন আরও কষ্টকর হতে পারে।

উপসংহার: বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে বাংলাদেশকে অবশ্যই তথ্যপ্রযুক্তিকেন্দ্রিক জ্ঞানভিত্তিক সমাজব্যবস্থার প্রচলন নিশ্চিত করতে হবে। এ স্বপ্নকেই ধারণ করছে ডিজিটাল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হবে— এটি সকলেরই আশা। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় ভূমিকা রাখতে হবে ।

 আরো পড়ুনঃ কম দামে বেবি বাউন্সার সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মিনি ক্যামেরা গোপন ক্যামেরা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই করুন

আরো পড়ুনঃ কলম ক্যামেরা কিনতে ক্লিক করুন – এখনই করুন

বেবি জিংক ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

Janbobd.net ও( গাজী ভাই ডট কম) এর পক্ষ থেকে আজকের আর্টিকেলটিতে বেবি জিংক ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে কথা বলব : বেবি জিংক ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম ? এই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানব এবং বিস্তারিত আলোচনা করবো যদি আপনাদের কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন আমাদের.। তো চলুন বন্ধুরা আর দেরি না করে এক্ষুনি শুরু করা যাক বেবি জিংক ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা।

বেবি জিংক ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

সরাসরি অর্ডার করতে ফোন করুন- 01751358525
সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন –এখনই কিনুন

অনলাইনে ছেলেদের ও মেয়েদের যাবতীয় পার্সোনাল ও গোপনীয় পণ্যসামগ্রী সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কসমেটিক সামগ্রী দেশের সবচেয়ে কম দামে ক্রয় করতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট Gazivai.com

বেবি জিংক ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

Zinc is an essential trace mineral, which means that it must be obtained from the diet since the body cannot make enough. Next to iron, zinc is the most abundant trace mineral in the body. Stored primarily in muscle, zinc is also found in high concentrations in red and white blood cells, the retina of the eye, bones, skin, kidneys, liver, and pancreas. Some of the symptoms of zinc deficiency include loss of appetite, poor growth, weight loss, impaired taste or smell, poor wound healing, skin abnormalities (such as acne, atopic dermatitis and psoriasis), hair loss, night blindness, hypogonadism and delayed sexual maturation, white spots on the fingernails and feelings of depression.

বেবি জিংক ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

ব্যবহার
ডায়রিয়া চিকিৎসায়, বিশেষ করে ২ মাস থেকে ৫ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে স্কয়ার জিংক (বেবি জিংক ইউএসপি) যুদপৎভাবে ওর‍্যাল রিহাইড্রেশন সল্টস (ORS) এর সাথে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া স্কয়ার জিংক (বেবি জিংক ইউএসপি) জিংকের ঘাটতিজনিত অন্যান্য সমস্যা যেমন-ক্ষুধামন্দা, তীব্র বৃদ্ধি হ্রাস, বিকৃত হাড় তৈরী, দুর্বল ইমিউনােলােজিক্যাল সাড়া, পুনঃসংঘটনশীল শসানালী সংক্রমণ, এ্যাকরােডার্মাটাইটিস এ্যান্টেরােপ্যাথিকা, প্যারাকেরাটেটিক ত্বকের ক্ষত, অপূর্ণ এবং বিলম্বিত ক্ষতের আরােগ্য, রক্ত স্বল্পতা, রাতকানা, মানসিক অশান্তি-এ নির্দেশিত।

বেবি জিংক খাওয়ার নিয়ম

ডায়রিয়া চিকিৎসায় : ডায়রিয়া শুরুর পর যত দ্রুত সম্ভব জিংক সেবন করা উচিত।
২ থেকে ৬ মাসে শিশু : দৈনিক ১০ মি.গ্রা. জিংক করে ১০-১৪ দিন।
৬ মাস থেকে ৫ বছরের শিশু : দৈনিক ২০ মি.গ্রা. জিংক করে ১০-১৪ দিন।
অন্যান্য নির্দেশনায় :

শিশুদের ক্ষেত্রে অনুমােদিত মাত্রা হচ্ছে দৈনিক ২-২.৫ মি.গ্রা./কেজি দৈহিক ওজন হিসাবে।
১০ কেজির নিচের শিশুদের ক্ষেত্রে: ১০ মি.গ্রা. জিংক দৈনিক ২ বার।
১০ কেজি থেকে ৩০ কেজি পর্যন্ত শিশুদের জন্য : ২০ মি.গ্রা. জিংক দৈনিক ১-৩ বার। প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ৩০ কেজি-এর উর্ধ্বে শিশুদের জন্য : ৪০ মি.গ্রা. জিংক দৈনিক ১-৩ বার।

আরো পড়ুনঃ মোটা হতে ইন্ডিয়ান বডি বিল্ডো কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার পিউটন সিরাপ কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ করার মারাল জেল কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ছেলেদের টাইটান জেল সরাসরি কিনতে ক্লিক-এখনই কিনুন

জিংক ট্যাবলেট খেলে কি হয়

Janbobd.net ও( গাজী ভাই ডট কম) এর পক্ষ থেকে আজকের আর্টিকেলটিতে জিংক ট্যাবলেট খেলে কি হয় সম্পর্কে কথা বলব : জিংক ট্যাবলেট খেলে কি হয় ? এই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানব এবং বিস্তারিত আলোচনা করবো যদি আপনাদের কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন আমাদের.। তো চলুন বন্ধুরা আর দেরি না করে এক্ষুনি শুরু করা যাক জিংক ট্যাবলেট খেলে কি হয় সম্পর্কে আলোচনা।

জিংক ট্যাবলেট খেলে কি হয়

সরাসরি অর্ডার করতে ফোন করুন– 01751358525
সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন –এখনই কিনুন

অনলাইনে ছেলেদের ও মেয়েদের যাবতীয় পার্সোনাল ও গোপনীয় পণ্যসামগ্রী সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কসমেটিক সামগ্রী দেশের সবচেয়ে কম দামে ক্রয় করতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট Gazivai.com

জিংক ট্যাবলেট খেলে কি হয়

এটি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। লাল মাংস, গম, ওট ইত্যাদি খাবারে জিংক পাওয়া যায়। শরীরে জিংকের অভাব হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়। যেমন : একজিমা, র‍্যাশ ইত্যাদি। লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে শরীরের জিংকের অভাব হলে কী ধরনের সমস্যা হয় সেই কথা।

জিংক ট্যাবলেট খেলে কি হয়

জিঙ্ক স্বল্পতা ডায়রিয়া লিভার সিরোসিস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস ঠান্ডা লাগা ঘ্রাণশক্তি হ্রাস যৌনশক্তি হ্রাস চুল পড়া রিউমাইটেড আর্থাইটিস প্রভৃতি রোগে এটি উপকারে আসে। অপকরিতা: এটির অপকারিতা নেই। সুসহনীয় এটি। কারো কারো বমি, মাথাব্যথা হতে পারে। তবে তা বিরল।

স্মৃতিশক্তির অভাব

জিংক আমাদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য বড় ভূমিকা পালন করে। জিংকের অভাব হলে এই কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং নিউরোলজিক্যাল পদ্ধতি ব্যাহত হয়। এটি শেখার অক্ষমতাও তৈরি করতে পারে।

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমায়

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে জিংক একটি বড় ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যাদের শরীরে জিংকের অভাব রয়েছে তারা প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, ঠান্ডা এবং ফ্লুয়ের মাধ্যমে আক্রান্ত হয়।

চুল পাতলা হয়ে যায়
চুল পড়ে যাওয়ার একটি বড় কারণ শরীরের জিংকের অভাব। এটি মাথার কোষগুলোকে দুর্বল করে দেয়। এতে চুল শুষ্ক হয়ে যায় এবং চুল ভেঙে যেতে পারে। এতে চুল পাতলা হয়ে যায়।

ত্বকের সমস্যা

জিংকের অভাব হলে তা ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলে। এটি ব্রণ, একজিমা, সোরিয়াসিস, ত্বকের র‍্যাশ ইত্যাদি তৈরি করতে পারে। জিংক ত্বকের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। এটি ত্বককে আল্ট্রাভায়োলেট রস্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয়।

দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা

স্বাস্থ্যকর দৃষ্টিশক্তির জন্য জিংক খুব প্রয়োজন। এটি চোখের সুরক্ষা দেয় এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। গবেষণায় বলা হয়, জিংকের অভাবে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার সমস্যা হতে পারে।

হাড় দুর্বল করে

জিংক স্বাস্থ্যকর হাড়ের জন্য জরুরি। এটি হাড়ের গঠনে উদ্দীপকের ভূমিকা পালন করে। জিংকের অভাবে হাড় দুর্বল হয় এবং গাঁটে ব্যথা হয়।

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের স্তন – দুধ ছোট টাইট করার ক্রিম কিনতে ক্লিক –  এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের স্তন – দুধ বড় টাইট করার ক্রিম কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের যোনি টাইট করার ক্রিম কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা

বাংলাদেশের কথা বললেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামটি চলে আসে। প্রায়ই বিভিন্ন পরীক্ষায়, অ্যাসাইনমেন্টে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা লিখতে হয়। তিনি স্বাধীনতার মহান স্থপতি। তাই তাঁকে নিয়ে গবেষণা ও চর্চা হবে যুগ যুগ ধরে।

আরো পড়ুনঃ ওজন কমানোর  ইন্ডিয়ান ঔষধ কিনতে ক্লিক করুন – এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে ক্লিক – এখনই কিনুন

আমরা অনেকেই তাঁর জীবনী সঠিকভাবে জানি না। তাই বিভিন্ন পরীক্ষায় কিংবা অ্যাসাইনমেন্টে তাঁকে নিয়ে লিখতে বলা হলে অনেকেই পর্যাপ্ত তথ্যবহুল রচনা লিখতে পারেন না। তাই আজ আমরা আপনাদের জন্য উপস্থাপন করছি “বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা” শিরোনামের প্রবন্ধটি। আশা করি, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সম্পর্কে আপনারা এই প্রবন্ধ থেকে অনেক তথ্যবহুল ঘটনা ও ইতিহাস জানতে পারবেন।

অনলাইনে ছেলেদের ও মেয়েদের যাবতীয় পার্সোনাল ও গোপনীয় পণ্যসামগ্রী সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কসমেটিক সামগ্রী দেশের সবচেয়ে কম দামে ক্রয় করতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট Www.gazivai.com.

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা

ভূমিকাঃ

বাংলাদেশ’ নামটির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন স্বাধীন বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পরাধীনতার শেকল থেকে এ দেশকে, এ জাতিকে মুক্ত করতে যিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন, তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধু না হলে হয়তো আজকের এ বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না। আমরা পেতাম না স্বাধীন বাংলার মুক্ত বাতাস, পেতাম না একটি স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। ১৯৫২ সাল থেকে শুরু করে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রতিটি ধাপে অগ্রণী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর নেতৃত্বেই ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা

জন্ম পরিচয়:

শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ ই মার্চ (৩ রা চৈত্র ১৩২৭ বঙ্গাব্দ) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম শেখ ‍লুৎফুর রহমান, মাতা সায়েরা খাতুন। শেখ মুজিব, তাঁর পিত-মাতার তৃতীয় সন্তান।

শেখ মুজিবুর রহমানের নাম রাখেন তাঁর নানা শেখ আবদুল মজিদ। ছোটবেলায় বঙ্গবন্ধুর ডাক নাম ছিলো ‘খোকা’। ছোটবেলা থেকেই তিনি সাধারণ মানুষ ও গরিব-দুঃখী মানুষের প্রতি সহমর্মী স্বভাব দেখাতেন।

শিক্ষা জীবন

১৯২৭ সালে বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাজীবন শুরু হয়। তখন তাঁর বয়স ছিলো ৭ বছর। তিনি গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯২৯ সালে ৯ বছর বয়সে তিনি গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। পিতার সরকারি চাকরিতে বদলিজনিত কারণে তিনি আবারো স্কুল পরিবর্তন করেন। ১৯৩১ সালে মাদারীপুর ইসলামিয়া স্কুলে তিনি ৪র্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন। এই স্কুলেই তিনি ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন।

১৯৩৪ সালে বেরিবেরি নামক এক জটিল রোগে আক্রান্ত হন বঙ্গবন্ধু। এতে করে তাঁর হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে যায়। তাঁর চোখেও জটিল রোগ ধরা পড়ে ১৯৩৬ সালে। অপারেশনের মাধ্যমে এ রোগ সারাতেও বেশ কিছু সময় লেগে যায়। তাই বেশ কয়েক বছর তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন নি।

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন

১৯৪৪ সালে তিনি বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়ার সময় বঙ্গবন্ধু ১৯৪৬ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এ সময় তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সহকারী হিসেবে নিযুক্ত হন। ফলে সে বছরই প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম লীগের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বঙ্গবন্ধু। বিভিন্ন ইতিহাসবিদ বঙ্গবন্ধুকে “সোহরাওয়ার্দীর ছত্রতলে রাজনীতির উদীয়মান বরপুত্র” হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু:

১৯৪৮ সালের ২৩ শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দিলে বঙ্গবন্ধু তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানান। একই বছর মার্চের ২ তারিখ বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাবে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ১৯৫২ সালের ১৪ ই ফেব্রুয়ারি কারাগারে থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে অনশন করেন বঙ্গবন্ধু।

মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু

১৯৭১ সালের ১ লা মার্চ হোটেল পূর্বানীতে আ. লীগের সংসদীল সদস্যদের অধিবেশন চলাকাকালে আকস্মিকভাবে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনিদিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষনা করেন। সারা বাংলা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। বিক্ষুদ্ধ জনসমুদ্রে পরিণত হয় রাজপথ। বঙ্গবন্ধু এটাকে শাসকদের আরেকটি চক্রান্ত বলে চিহ্নিত করেন। তিনি ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সারা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল আহবান করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ৭ ই মার্চ বঙ্গবন্ধু তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে এক যুগান্তকারী ভাষনে ঘোষণা করেন, “এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” বঙ্গবন্ধুর এই ভাষনে ষ্পষ্ট হয়ে যায় স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যত। সারাদেশে শুরু হয় এক অভূতপূর্ব অসযোগ আন্দোলন।

উপসংহার

এদেশের তরে, মানুষের তরে নিজের পুরো জীবনটাই সমর্পণ করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে নিজের জীবনের একটা বড় অংশ তিনি কাটিয়েছেন কারাগারে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে চিরকাল।

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ চিরকাল এক ও অভিন্ন হয়েই থাকবে। এদেশের শিশু-যুবক-বৃদ্ধ সবাই গর্বভরে লিখে যাবে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ রচনা। কবি যথার্থই বলেছেন-

যতকাল রবে পদ্মা-মেঘনা-গৌরী যমুনা বহমান,

ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।।

আরো পড়ুনঃ  লম্বা হওয়ার ঔষধ কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আর পড়ুনঃ পাছা বা নিতম্বের মেদ কমানোর ঔষধ কিনতে  – এখনই কিনুন

জিংক ট্যাবলেট এর অপকারিতা

Janbobd.net ও( গাজী ভাই ডট কম) এর পক্ষ থেকে আজকের আর্টিকেলটিতে জিংক ট্যাবলেট এর অপকারিতা সম্পর্কে কথা বলব : জিংক ট্যাবলেট এর অপকারিতা ? এই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানব এবং বিস্তারিত আলোচনা করবো যদি আপনাদের কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন আমাদের.। তো চলুন বন্ধুরা আর দেরি না করে এক্ষুনি শুরু করা যাক জিংক ট্যাবলেট এর অপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা।

জিংক ট্যাবলেট এর অপকারিতা

সরাসরি অর্ডার করতে ফোন করুন- 01751358525
সরাসরি কিনতে ক্লিক করুন –এখনই কিনুন

অনলাইনে ছেলেদের ও মেয়েদের যাবতীয় পার্সোনাল ও গোপনীয় পণ্যসামগ্রী সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কসমেটিক সামগ্রী দেশের সবচেয়ে কম দামে ক্রয় করতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট Gazivai.com

জিংক ট্যাবলেট এর অপকারিতা

শরীরে জিংকের অভাব হলে নানা ধরনের সমস্যা হয়। যেমন : একজিমা, র‍্যাশ ইত্যাদি। জিংক সাধারণত লাল মাংস, গম, ওট ইত্যাদি খাবারে বিদ্যমান থাকে। জিংকের অভাবে ডায়রিয়া বা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া ছাড়াও কনজাংকটিভার প্রদাহ, পায়ে বা জিহ্বায় ক্ষত, একজিমা, ব্রণ বা সোরিয়াসিস-জাতীয় ত্বকের প্রদাহ, ছত্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণজনিত অসুস্থতা এবং শরীরের ক্ষত শুকাতে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়।

রোগ-প্রতিরোধক তন্ত্রকে উজ্জীবিত করে তুলে জিংক এ ধরনের সমস্যা প্রতিরোধ করতে, জটিল জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থেকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে শরীরের কোষকলাকে ফ্রি-রেডিকেলের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এবং ক্ষতের সুস্থতা ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে।

জিংক ট্যাবলেট এর অপকারিতা

শরীরে জিংকের ঘাটতি হলে যা হয়
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমায়
জিংক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে একটি বড় ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়।
স্মৃতিশক্তির অভাব
জিংক আমাদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য বড় ভূমিকা পালন করে। জিংকের অভাব হলে এই কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং নিউরোলজিক্যাল পদ্ধতি ব্যাহত হয়। এটি শেখার অক্ষমতাও তৈরি করতে পারে।
চুল পাতলা হয়ে যায়
শরীরের জিংকের অভাব হলে মাথার চুল পড়ে যায়। এটি মাথার কোষগুলোকে দুর্বল করে দেয়। এতে চুল শুষ্ক হয়ে যায় এবং চুল ভেঙে যেতে পারে। এতে চুল পাতলা হয়ে যায়।
হাড় দুর্বল করে
জিংক স্বাস্থ্যকর হাড়ের জন্য জরুরি। এটি হাড়ের গঠনে উদ্দীপকের ভূমিকা পালন করে। জিংকের অভাবে হাড় দুর্বল হয় এবং গাঁটে ব্যথা হয়।

দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা
স্বাস্থ্যকর দৃষ্টিশক্তির জন্য জিংক খুব প্রয়োজন। এটি চোখের সুরক্ষা দেয় এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। গবেষণায় বলা হয়, জিংকের অভাবে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার সমস্যা হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার পিউটন সিরাপ কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ করার মারাল জেল কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

আরো পড়ুনঃ ছেলেদের টাইটান জেল সরাসরি কিনতে ক্লিক-এখনই কিনুন

Maral gel
Maral gel
x
error: Content is protected !!