ক্যাপসিকাম বীজ থেকে চারা উৎপাদন । ক্যাপসিকাম গাছের যত্ন

320.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639</span>

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

<strong>ব্যবহারের সুবিধা;&amp;lt;/strong&gt;&amp;lt;br /&amp;gt;১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।<br />৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
ss=”yoast-text-mark” />>৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
/>/>/>৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

730 in stock

Description

ক্যাপসিকাম বীজ থেকে চারা উৎপাদন । ক্যাপসিকাম গাছের যত্ন

ক্যাপসিকাম বীজ থেকে চারা উৎপাদন

প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র:

  • ক্যাপসিকাম বীজ
  • টব বা বীজতলা
  • ঝুরঝুরে মাটি
  • জৈব সার
  • পানি
  • ছোট 삽

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

পদ্ধতি:

১. বীজ নির্বাচন:

  • ভালো ব্র্যান্ডের, উন্নত জাতের ক্যাপসিকাম বীজ ব্যবহার করুন।
  • বীজ পুরোনো না হয়, তা নিশ্চিত করুন।

২. বীজ বপন:

  • বীজ বপনের জন্য উপযুক্ত সময় হলো শীতকাল, অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস।
  • বীজ বপনের জন্য টব বা বীজতলা ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • টব বা বীজতলার মাটি ঝুরঝুরে ও জৈব সার সমৃদ্ধ হতে হবে।
  • বীজ বপনের পূর্বে মাটি ভালো করে আর্দ্র করে নিন।
  • মাটিতে আঙুল দিয়ে প্রায় ১ সেমি গভীর গর্ত তৈরি করুন।
  • প্রতিটি গর্তে একটি করে বীজ রাখুন।
  • বীজের উপরে পাতলা করে মাটি দিয়ে ঢেকে দিন।
  • হালকা করে পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিন।

৩. চারার পরিচর্যা:

  • বীজ অঙ্কুরিত হতে ৭-১০ দিন সময় লাগতে পারে।
  • অঙ্কুরিত হওয়ার পর নিয়মিত পানি দিন।
  • সকাল বা বিকেল বেলায় পানি দেওয়া ভালো।
  • অতিরিক্ত পানি দেওয়া যাবে না, এতে বীজ পঁচে যেতে পারে।
  • সপ্তাহে একবার জৈব সার দিন।
  • চারার গোড়া থেকে আগাছা পরিষ্কার করুন।
  • প্রয়োজনে পোকামাকড় দমন করুন।

৪. চারা রোপণ:

  • চারা মোটামুটি এক মাস বয়সী হলে রোপণের জন্য উপযুক্ত।
  • টব বা জমিতে চারা রোপণ করা যেতে পারে।
  • টব বা জমিতে চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত গর্ত তৈরি করুন।
  • গর্তে জৈব সার মিশিয়ে নিন।
  • চারা সাবধানে গর্তে রোপণ করুন।
  • রোপণ করার পর পানি দিন।

৫. চারার পরবর্তী পরিচর্যা:

  • নিয়মিত পানি দিন।
  • সপ্তাহে একবার জৈব সার দিন।
  • প্রয়োজনে সার প্রয়োগ করুন।
  • পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করুন।
  • নিয়মিত গাছের গোড়া পরিষ্কার করুন।
  • গাছে প্রয়োজনে মাচা দিতে পারেন।
  • ফুল আসার পর নিয়মিত পোকামাকড় দিয়ে পরাগায়ন করতে সাহায্য করুন।

কিছু টিপস:

  • ক্যাপসিকাম চাষের জন্য আলো, বাতাস ও প্রখর তাপহীন রোদ উপকারী।
  • বৃষ্টির সময় টবের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখুন।
  • গাছে নিয়মিত পানি দিন, তবে অতিরিক্ত পানি দেওয়া যাবে না।
  • জৈব সার ব্যবহার করলে গাছের উৎপাদন ও মান ভালো হয়।
  • বাজারে বিভিন্ন জাতের ক্যাপসিকাম বীজ পাওয়া যায়। আপনার পছন্দ ও পরিবেশের সাথে মানানসই জাতের বীজ নির্বাচন করুন।
  • ক্যাপসিকাম গাছে বিভিন্ন রোগবালাই দেখা দিতে পারে। রোগবালাই দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
  • ক্যাপসিকাম গাছে পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার ক্যাপসিকাম বীজ থেকে চারা উৎপাদনে সাহায্য করবে।

আরো পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

ক্যাপসিকাম গাছের যত্ন

মাটি:

  • ক্যাপসিকামের জন্য ঝুরঝুরে, দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি ভালো।
  • মাটির pH 6.0 থেকে 6.8 এর মধ্যে হওয়া উচিত।
  • জৈব সার যেমন গোবর সার, কোম্পোস্ট, পচনশীল পাতা ইত্যাদি মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।

জল:

  • ক্যাপসিকাম গাছে নিয়মিত পানি দিতে হবে।
  • গাছের গোড়ায় জল জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • বিকেলবেলায় পানি দেওয়া ভালো।

সার:

  • চারা রোপণের ১৫ দিন পর প্রথম সার প্রয়োগ করতে হবে।
  • সার হিসেবে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • ১৫ দিন পর পর সার প্রয়োগ করতে হবে।

আলো:

  • ক্যাপসিকাম গাছের জন্য প্রচুর আলো প্রয়োজন।
  • দিনে কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা সূর্যের আলো গাছে পড়তে হবে।

রোগ ও পোকামাকড়:

  • ক্যাপসিকাম গাছে বিভিন্ন রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ হতে পারে।
  • রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে গাছকে রক্ষা করার জন্য কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • তবে, জৈব পদ্ধতিতে রোগ ও পোকামাকড় দমন করার চেষ্টা করা উচিত।

ফল সংগ্রহ:

  • ক্যাপসিকাম ফল পাকলে তা সংগ্রহ করতে হবে।
  • ফল পাকলে তার রঙ পরিবর্তন হয়।
  • নিয়মিত ফল সংগ্রহ করলে গাছে নতুন ফল ধরতে থাকে।

কিছু টিপস:

  • বীজ বপন করার আগে বীজ জলে ভিজিয়ে রাখলে তা দ্রুত অঙ্কুরিত হয়।
  • চারার গোড়ায় আগাছা জন্মালে তা পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।
  • গাছের গোড়ায় মাচিং করলে মাটিতে আর্দ্রতা ধরে থাকে এবং গাছের বৃদ্ধি ভালো হয়।
  • নিয়মিত গাছের পরিচর্যা করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র:

পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ আ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম/ আ দিয়ে মেয়েদের  ইসলামিক নাম

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ক্যাপসিকাম বীজ থেকে চারা উৎপাদন । ক্যাপসিকাম গাছের যত্ন”

Your email address will not be published. Required fields are marked *