গ্যাস্ট্রিক হলে কি কি খাওয়া যাবে না

750.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

740 in stock

Description

গ্যাস্ট্রিক হলে কি কি খাওয়া যাবে না । গ্যাস্ট্রিক হলে যা খাওয়া উচিত নয়:

গ্যাস্ট্রিক হলে কি কি খাওয়া যাবে না

খাবার:

  • তেল-মসলাযুক্ত খাবার: তেল-মসলাযুক্ত খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং পেটে অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়ায়।
  • অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার: মরিচ, রসুন, পেঁয়াজ, আদা ইত্যাদি মসলা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
  • অ্যাসিডিক খাবার: লেবু, কমলা, আঙ্গুর, টমেটো ইত্যাদি অ্যাসিডিক খাবার গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা ও জ্বালাপোড়া বাড়াতে পারে।
  • ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়: চা, কফি, কোলা ইত্যাদি ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পেটে অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়ায়।
  • কার্বোনেটেড পানীয়: সোডা, কোকাকোলা, পেপসি ইত্যাদি কার্বোনেটেড পানীয় পেটে গ্যাস তৈরি করে।
  • চর্বিযুক্ত খাবার: তৈলাক্ত খাবার, মাখন, পনির, লার্ড ইত্যাদি চর্বিযুক্ত খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে।
  • মিষ্টি খাবার: চকলেট, কেক, বিস্কুট ইত্যাদি মিষ্টি খাবার পেটে অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়ায়।
  • আঠালো খাবার: ভাত, রুটি, পাস্তা ইত্যাদি আঠালো খাবার হজমে সময় নেয় এবং পেটে গ্যাস তৈরি করে।
  • শক্ত খাবার: মাংস, শক্ত শাকসবজি ইত্যাদি শক্ত খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে।

পানীয়:

  • ঠান্ডা পানীয়: ঠান্ডা পানীয় হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং পেটে অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়ায়।
  • অ্যালকোহল: অ্যালকোহল পেটে জ্বালাপোড়া ও ব্যথা বাড়াতে পারে।
  • ধূমপান: ধূমপান পেটে অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়ায় এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে।

অন্যান্য:

  • দ্রুত খাওয়া: দ্রুত খাওয়া হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং পেটে গ্যাস তৈরি করে।
  • অনিয়মিত খাওয়া: অনিয়মিত খাওয়া হজমশক্তিকে দুর্বল করে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে।
  • মানসিক চাপ: মানসিক চাপ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ:

  • এই তালিকাটি কেবলমাত্র একটি নির্দেশিকা।
  • আপনার জন্য কোন খাবারগুলি উপকারী এবং কোনগুলি ক্ষতিকর তা নির্ধারণ করতে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
  • আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার যদি গ্যাস্ট্রিক হয় তবে নিয়মিত খাওয়া এবং ছোট খাবার খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রচুর পরিমাণে তরল পান করা উচিত এবং আপনার খাবার ভালভাবে চিবানো উচিত। আপনার যদি গ্যাস্ট্রিকের উপসর্গ থাকে তবে আপনার ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ, যেমন অ্যান্টাসিড বা গ্যাস রিলিভার খাওয়ার কথা বিবেচনা করা উচিত। আপনার যদি গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রিকের উপসর্গ হয় তবে আপনার ডাক্তারের সাথে দেখা করা উচিত।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “গ্যাস্ট্রিক হলে কি কি খাওয়া যাবে না”

Your email address will not be published. Required fields are marked *