চোখ উঠলে কোন ড্রপ । চোখ উঠা রোগ কিভাবে ছড়ায়

750.00৳ 

<h3>সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639</span>

<p>♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
>৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

740 in stock

Description

চোখ উঠলে কোন ড্রপ । চোখ উঠা বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, অ্যালার্জি, বা শুষ্ক চোখ। কারণের উপর নির্ভর করে, বিভিন্ন ধরণের ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে।

চোখ উঠলে কোন ড্রপ

কিছু সাধারণ ড্রপ:

  • কৃত্রিম অশ্রু: এটি চোখের শুষ্কতা ও খচখচে ভাব কমাতে সাহায্য করে। যেকোনো ধরনের চোখ ওঠায় এই ধরনের ড্রপ ব্যবহার করা যায়। ফার্মেসিতে এগুলো লুবজেল, ড্রাইলাইফ, অ্যাকুয়াফ্রেশ ও টিয়ারফ্রেশসহ বিভিন্ন নামে পাওয়া যায়।

পড়ুনঃ লুব্রিকেন্ট জেল কিনতে এখনই ক্লিক করুন

  • অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ: ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে চোখ উঠলে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করা হয়। যেমন, ক্লোরামফেনিকল, টিব্রোমাইসিন, অফলোক্সাসিন ইত্যাদি।
  • অ্যান্টিভাইরাল ড্রপ: ভাইরাল সংক্রমণের কারণে চোখ উঠলে অ্যান্টিভাইরাল ড্রপ ব্যবহার করা হয়। যেমন, টিপোফোসফোর, গ্যান্সিক্লোভির ইত্যাদি।
  • অ্যান্টিহিস্টামিন ড্রপ: অ্যালার্জির কারণে চোখ উঠলে অ্যান্টিহিস্টামিন ড্রপ ব্যবহার করা হয়। যেমন, কেটোটিফেন, লেভোকাবাস্টিন ইত্যাদি।

কোন ড্রপ ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করে:

  • চোখ ওঠার কারণের উপর
  • আপনার বয়সের উপর
  • আপনার অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার উপর
  • আপনার গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী হওয়ার উপর

তাই চোখ উঠলে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করে ড্রপ ব্যবহার করা উচিত।

এছাড়াও, চোখ ওঠা প্রতিরোধে কিছু সহজ উপায় মেনে চলা যায়:

  • হাত বারবার সাবান ও পানি দিয়ে ধোয়া
  • চোখ ঘষাঘষি না করা
  • চোখের মেকআপ ব্যবহার না করা
  • তোয়ালে, রুমাল, চশমা ইত্যাদি অন্যের সাথে শেয়ার না করা

আরও তথ্যের জন্য:

পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ আ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম/ আ দিয়ে মেয়েদের  ইসলামিক নাম

চোখ উঠা রোগ কিভাবে ছড়ায়

চোখ উঠা রোগ বিভিন্নভাবে ছড়াতে পারে।

সাধারণতঃ

  • আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে: যখন আক্রান্ত ব্যক্তি চোখ ঘষে, তখন তার চোখের পানি বা শ্লেষ্মা হাতে লেগে থাকে। এরপর যদি সেই ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে হাত মেলায় বা অন্য কোন বস্তু স্পর্শ করে, তাহলে সেই বস্তুর মাধ্যমেও চোখ উঠা রোগ ছড়াতে পারে।

উদাহরণ:

  • একজন শিশু তার চোখ ঘষে তারপর তার বন্ধুর সাথে খেলাধুলা করে। বন্ধুটি শিশুটির হাত স্পর্শ করে তারপর তার নিজের চোখ ঘষে। ফলে বন্ধুটিও চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
  • একজন ব্যক্তি তার চোখে ব্যবহারের জন্য তোয়ালে ব্যবহার করে। তারপর সেই তোয়ালে তার পরিবারের অন্য সদস্যরাও ব্যবহার করে। ফলে পরিবারের অন্য সদস্যরাও চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
  • বাতাসের মাধ্যমে: আক্রান্ত ব্যক্তি যখন কাশি বা হাঁচি দেয়, তখন তার চোখের পানি বা শ্লেষ্মা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। বাতাসে ভাসমান এই জীবাণু অন্য ব্যক্তির চোখে প্রবেশ করে তাদেরও আক্রান্ত করতে পারে।

example:

  • একজন শিক্ষক ক্লাসে কাশি দেয়। বাতাসে ভাসমান জীবাণু ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীদের চোখে প্রবেশ করে তাদেরও চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত করতে পারে।
  • দূষিত জিনিসপত্র ব্যবহারের মাধ্যমে: আক্রান্ত ব্যক্তি যেসব জিনিসপত্র ব্যবহার করে, যেমন তোয়ালে, রুমাল, চশমা ইত্যাদি, সেগুলো ব্যবহারের মাধ্যমেও চোখ উঠা রোগ ছড়াতে পারে।

উদাহরণ:

  • একজন ব্যক্তি রাস্তার ধুলোয় ভরা পরিবেশে বাইরে কাজ করে। ধুলো তার চোখে প্রবেশ করে তাকে চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত করতে পারে।
  • একজন শিশু দূষিত পুকুরে সাঁতার কাটে। পুকুরের জীবাণু তার চোখে প্রবেশ করে তাকে চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত করতে পারে।

চোখ উঠা রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বেশি থাকে:

  • শিশুদের মধ্যে: শিশুরা তাদের হাত বারবার ধোয় না এবং চোখ ঘষে। ফলে তাদের মধ্যে চোখ উঠা রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
  • যাদের ঘন ঘন চোখের সমস্যা হয়: যাদের অ্যালার্জি, শুষ্ক চোখ, বা অন্য কোন চোখের সমস্যা থাকে, তাদের চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
  • যারা দূষিত পরিবেশে বাস করে: যারা দূষিত পরিবেশে বাস করে, তাদের চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

চোখ উঠা রোগ প্রতিরোধে:

  • হাত বারবার সাবান ও পানি দিয়ে ধোয়া: হাত ধোয়া চোখ উঠা রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
  • চোখ ঘষাঘষি না করা: চোখ ঘষাঘষি করলে চোখের জীবাণু হাতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
  • চোখের মেকআপ ব্যবহার না করা: চোখের মেকআপ ব্যবহার করলে চোখের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • তোয়ালে, রুমাল, চশমা ইত্যাদি অন্যের সাথে শেয়ার না করা: ব্যক্তিগত জিনিসপত্র অন্যের সাথে শেয়ার করলে চোখ উঠা রোগ ছড়াতে পারে।
  • ঘন ঘন ঘর পরিষ্কার করা: ঘর পরিষ্কার রাখলে জীবাণুর বংশবৃদ্ধি রোধ করা যায়।

আরও তথ্যের জন্য:

লুব্রিকেন্ট জেল কিনতে এখনই ক্লিক করুন

 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “চোখ উঠলে কোন ড্রপ । চোখ উঠা রোগ কিভাবে ছড়ায়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *