চোখ উঠলে ঘরোয়া চিকিৎসা । চোখ উঠলে কতদিন থাকে

1,150.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

742 in stock

Description

চোখ উঠলে ঘরোয়া চিকিৎসা । চোখ উঠা, যা কনজাংটিভাইটিস নামেও পরিচিত, একটি সাধারণ চোখের সংক্রমণ। এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা এলার্জির কারণে হতে পারে। চোখ উঠার লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে চোখের পাতায় লালভাব, চুলকানি, জ্বালাপোড়া, পানি পড়া এবং পুঁজ জমা।

চোখ উঠলে ঘরোয়া চিকিৎসা

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

চোখ উঠলে কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা:

১. ঠান্ডা সেঁক:

  • ঠান্ডা সেঁক চোখের জ্বালাপোড়া এবং ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে।
  • একটি পরিষ্কার কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে চোখের উপর ৫-১০ মিনিটের জন্য সেঁক দিন।
  • দিনে কয়েকবার এই প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন।

২. লবণ পানি:

  • লবণ পানি চোখের জীবাণুমুক্ত করতে এবং পুঁজ বের করতে সাহায্য করে।
  • এক কাপ ঠান্ডা পানিতে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন।
  • একটি পরিষ্কার কাপড় এই পানিতে ভিজিয়ে চোখের পাতা মুছে ফেলুন।
  • দিনে কয়েকবার এই প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন।

৩. বেগুনি পাতা:

  • বেগুনি পাতার রস চোখের জ্বালাপোড়া এবং চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
  • একটি বেগুনি পাতা ধুয়ে পরিষ্কার করে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
  • পাতা থেকে রস বের করে চোখের পাতায় লাগান।
  • দিনে কয়েকবার এই প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন।

৪. নারকেল পানি:

  • নারকেল পানি চোখের জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে।
  • একটি তুলোর বল নারকেল পানিতে ভিজিয়ে চোখের পাতা মুছে ফেলুন।
  • দিনে কয়েকবার এই প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন।

৫. ঘুম:

  • পর্যাপ্ত ঘুম চোখের সুস্থতা পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে।
  • প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন:

  • যদি চোখের জ্বালাপোড়া, লালভাব এবং পানি পড়া ৭-১০ দিনের বেশি স্থায়ী হয়।
  • যদি চোখে তীব্র ব্যথা হয়।
  • যদি চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়।
  • যদি চোখের পাতায় ফোলাভাব বেড়ে যায়।

চোখ উঠা প্রতিরোধের জন্য:

  • হাত সাবান দিয়ে বারবার ধুয়ে ফেলুন।
  • চোখ ঘষবেন না।
  • অন্যের ব্যবহৃত তোয়ালে, রুমাল বা চশমা ব্যবহার করবেন না।
  • প্রসাধনী ব্যবহারের পর চোখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

মনে রাখবেন:

  • এই ঘরোয়া চিকিৎসাগুলি চোখ উঠার লক্ষণগুলি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

 

চোখ উঠলে কতদিন থাকে

সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে চোখ উঠা ভালো হয়ে যায়। তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ১৫ দিনের মতো সময়ও লাগতে পারে।

চোখ উঠার লক্ষণ:

  • চোখ লাল হয়ে যাওয়া
  • চোখ থেকে পানি পড়া
  • চোখে অস্বস্তিবোধ (খচখচ করা)
  • চোখের পাতা ফুলে যাওয়া
  • চোখে ব্যথা
  • আলো সহ্য না করা
  • চোখে পিচুটি (কেতুর) হওয়া
  • চোখে হালকা জ্বালাপোড়া

চোখ উঠা থেকে দ্রুত সেরে উঠতে:

  • চোখ পরিষ্কার রাখুন: বারবার হাত ধুয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করুন।
  • চোখে হাত দেবেন না: চোখে হাত দিলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
  • চোখের ওষুধ ব্যবহার করুন: চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী চোখের ওষুধ ব্যবহার করুন।
  • বিশ্রাম নিন: পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং চোখের উপর চাপ দেবেন না।
  • ছোঁয়াচে থেকে সাবধান: চোখ ওঠা ছোঁয়াচে রোগ। তাই, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন:

  • যদি চোখের ব্যথা, জ্বালাপোড়া, লালভাব, পানি পড়া, পিচুটি ইত্যাদি উপসর্গ ১০ দিনের বেশি স্থায়ী হয়।
  • যদি চোখে তীব্র ব্যথা, আলো সহ্য না করা, দৃষ্টি ঝাপসা দেখা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।
  • যদি চোখের সংক্রমণ বারবার হয়।

চোখ উঠা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য:

কারণ:

চোখ উঠা মূলত ভাইরাস (৭০-৮০%) এবং ব্যাকটেরিয়া (২০-৩০%) দ্বারা সংক্রমণের কারণে হয়। এছাড়াও, অ্যালার্জি, ধুলোবালি, রাসায়নিক পদার্থ, ধোঁয়া ইত্যাদির কারণেও চোখ উঠতে পারে।

সংক্রমণের ধরণ:

  • ভাইরাল:
    • এডিনোভাইরাস: এটি সবচেয়ে সাধারণ কারণ।
    • হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস: এটি চোখের কর্নিয়ায় ঘা সৃষ্টি করতে পারে।
  • ব্যাকটেরিয়াল:
    • স্ট্যাফাইলোককাস: এটি চোখের পাতায় পুঁজ জমা হতে পারে।
    • নিউমোককাস: এটি চোখের পাতায় প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।

চোখ উঠার বিভিন্ন ধরণ:

  • এলার্জিক কনজাংটিভাইটিস:
    • ধুলোবালি, পোষা প্রাণীর লোম, পরাগরেণু ইত্যাদির প্রতি অ্যালার্জির কারণে হয়।
    • চোখ লাল, চুলকানি, পানি পড়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।
  • ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস:
    • চোখের পাতায় পুঁজ জমা হয়।
    • চোখ লাল, ফুলে যাওয়া, ব্যথা, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।
  • ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস:
    • পানি পড়া, জ্বালাপোড়া, চুলকানি ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।
    • কিছু ক্ষেত্রে, চোখের পাতায় ফোলাভাব এবং আলো সহ্য না করা দেখা যেতে পারে।

চোখ উঠার ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিরা:

  • শিশুরা
  • যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম
  • যারা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন
  • যারা সুইমিং পুলে সাঁতার কাটেন
  • যারা ধুলোবালি, ধোঁয়া ইত্যাদি দূষিত পরিবেশে কাজ করেন

প্রতিরোধ:

  • বারবার হাত ধোয়া
  • চোখে হাত না দেওয়া
  • ব্যক্তিগত জিনিসপত্র অন্যের সাথে শেয়ার না করা
  • সুইমিং পুলে সাঁতার কাটার সময় সাঁতারের চশমা ব্যবহার করা
  • ধুলোবালি, ধোঁয়া ইত্যাদি দূষিত পরিবেশে কাজ করার সময় চশমা ব্যবহার করা

চিকিৎসা:

  • ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস:
    • সাধারণত নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়।
    • চোখের অস্বস্তি কমাতে ঠান্ডা সেঁক এবং লবণ পানি দিয়ে চোখ ধোয়া যেতে পারে।
  • ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস:
    • **চক্ষু বিশেষজ্ঞের

আরও তথ্যের জন্য:

পড়ুনঃ ২ পিস চামড়ার বেল্ট ৬০০ টাকা কিনতে এখনই ক্লিক করুন

 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “চোখ উঠলে ঘরোয়া চিকিৎসা । চোখ উঠলে কতদিন থাকে”

Your email address will not be published. Required fields are marked *