চোখ ওঠার উপকারিতা । চোখ উঠা কি ছোঁয়াচে

1,500.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
২, সহবাসে নতুনত্ব আনতে সহায়তা করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

741 in stock

Description

টিচোখ ওঠার উপকারিতা । চোখ ওঠার আসলে কোন উপকারিতা নেই। এটি একটি সংক্রামক রোগ যা চোখের বিভিন্ন অস্বস্তিকর লক্ষণ সৃষ্টি করে।

চোখ ওঠার উপকারিতা

চোখ ওঠার লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • চোখ লাল হওয়া
  • চোখ দিয়ে পানি পড়া
  • চোখে চুলকানি
  • চোখের পাতা ফুলে যাওয়া
  • আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি
  • কিছু ক্ষেত্রে, চোখের পাতা থেকে পুঁজ বের হতে পারে

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

এটি একটি ছোঁয়াচে রোগ, তাই এটি দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সাবধান থাকার জন্য:

  • নিয়মিত হাত ধোয়া, বিশেষ করে চোখ স্পর্শ করার আগে।
  • চোখ ঘষা বা চুলকানো না করা
  • আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র (যেমন তোয়ালে, রুমাল) শেয়ার না করা
  • চোখের পাতা পরিষ্কার রাখা

চোখ ওঠা ৭-১০ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে, যদি লক্ষণগুলি দীর্ঘস্থায়ী হয় বা তীব্র হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 কিছু সম্ভাব্য জটিলতা রয়েছে চোখ ওঠার, যার মধ্যে রয়েছে:

  • কর্ণিয়া ক্ষত: এটি চোখের সামনের স্বচ্ছ অংশের ক্ষত।
  • দৃষ্টিশক্তি হ্রাস: তীব্র সংক্রমণের ক্ষেত্রে, দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেতে পারে।
  • স্থায়ী চোখের জ্বালা: কিছু ক্ষেত্রে, চোখের জ্বালা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

চোখ ওঠা একটি বিরক্তিকর রোগ হলেও, এটির কোন উপকারিতা নেই

চোখের যত্ন নেওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ যাতে চোখ ওঠা রোধ করা যায়।

চোখ উঠা কি ছোঁয়াচে

হ্যাঁ, চোখ উঠা বেশ ছোঁয়াচে। এটি মূলত ভাইরাসজনিত সংক্রমণের মাধ্যমে ছড়ায়, তবে ব্যাকটেরিয়া এবং অ্যালার্জির কারণেও হতে পারে।

ভাইরাসজনিত চোখ ওঠা:

  • সংক্রমণের মাধ্যম:
    • আক্রান্ত ব্যক্তির চোখের পানি বা ময়লা দিয়ে দূষিত জিনিসপত্র (যেমন তোয়ালে, রুমাল, বালিশের কভার) স্পর্শ করার মাধ্যমে।
    • আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে সরাসরি শারীরিক সংস্পর্শের মাধ্যমে।
    • আক্রান্ত ব্যক্তির চোখের দিকে দীর্ঘক্ষণ তাকানোর মাধ্যমে (বিতর্কিত)।
  • লক্ষণ:
    • চোখ লাল হওয়া
    • চোখ দিয়ে পানি পড়া
    • চোখে চুলকানি
    • চোখের পাতা ফুলে যাওয়া
    • আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি
  • প্রতিরোধ:
    • আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র (যেমন তোয়ালে, রুমাল) শেয়ার না করা।
    • নিয়মিত হাত ধোয়া, বিশেষ করে চোখ স্পর্শ করার আগে।
    • চোখ ঘষা বা চুলকানো না করা।
    • আক্রান্ত ব্যক্তির চোখের পানি বা ময়লা দিয়ে দূষিত জিনিসপত্র স্পর্শ না করা।

ব্যাকটেরিয়াজনিত চোখ ওঠা:

  • সংক্রমণের মাধ্যম:
    • চোখে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের মাধ্যমে।
  • লক্ষণ:
    • চোখ লাল হওয়া
    • চোখ দিয়ে পানি পড়া
    • চোখে চুলকানি
    • চোখের পাতা ফুলে যাওয়া
    • চোখের পাতা থেকে পুঁজ বের হওয়া
  • প্রতিরোধ:
    • নিয়মিত হাত ধোয়া, বিশেষ করে চোখ স্পর্শ করার আগে।
    • চোখ ঘষা বা চুলকানো না করা।
    • চোখের পাতা পরিষ্কার রাখা।

অ্যালার্জির কারণে চোখ ওঠা:

  • সংক্রমণের মাধ্যম:
    • ধুলোবালি, পরাগ, পোষা প্রাণীর লোম, ইত্যাদির প্রতি অ্যালার্জির মাধ্যমে।
  • লক্ষণ:
    • চোখ লাল হওয়া
    • চোখ দিয়ে পানি পড়া
    • চোখে চুলকানি
    • চোখের পাতা ফুলে যাওয়া
  • প্রতিরোধ:
    • অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলা।
    • অ্যালার্জির ওষুধ ব্যবহার করা।

কখন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে:

  • যদি চোখের লক্ষণগুলি ৭ দিনের বেশি স্থায়ী হয়।
  • যদি চোখে তীব্র ব্যথা, আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা, বা দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা দেখা দেয়।
  • যদি চোখের পাতা থেকে পুঁজ বের হয়।
  • যদি নবজাতক বা শিশুদের চোখ ওঠে।

আরো পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “চোখ ওঠার উপকারিতা । চোখ উঠা কি ছোঁয়াচে”

Your email address will not be published. Required fields are marked *