তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ । তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা ২০ পয়েন্ট

1,500.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
২, সহবাসে নতুনত্ব আনতে সহায়তা করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

741 in stock

Description

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ: অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ

ভূমিকা:

বিগত কয়েক দশক ধরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (তথ্যপ্রযুক্তি) ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি, মোবাইল ফোন সেবার বিস্তার, এবং ডিজিটাল সরকারি সেবার উন্নয়ন এই অগ্রগতির অন্যতম প্রমাণ। তথ্যপ্রযুক্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

অগ্রগতি:

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী:

  • ২০২৩ সালের হিসাবে, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।
  • ২০২২ সালের ডিসেম্বরে, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১১.৪৯ কোটি।
  • মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০.৮২ কোটি।

মোবাইল ফোন:

  • মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১৮ কোটিরও বেশি।
  • ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে, মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ১৮.৭০ কোটি।

ডিজিটাল সরকারি সেবা:

  • বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা চালু করেছে, যেমন:
    • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): সকল নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক
    • মোবাইল আর্থিক সেবা: বিকাশ, রকেট, ইত্যাদি
    • অনলাইন সেবা: ভূমি রেকর্ড, জন্ম নিবন্ধন, ইত্যাদি

পড়ুনঃ লুব্রিকেন্ট জেল কিনতে এখনই ক্লিক করুন

তথ্যপ্রযুক্তির প্রভাব:

  • অর্থনীতি:
    • তথ্যপ্রযুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
    • ২০২২-২৩ অর্থবছরে, তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে রপ্তানি আয় ৮.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল।
    • তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রায় ১.১ মিলিয়ন মানুষ কর্মরত আছে।
  • শিক্ষা:
    • অনলাইন শিক্ষা, ই-লার্নিং, ইত্যাদি
    • ২০২৩ সালে, প্রায় ৫০ টি বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন কোর্স অফার করছে।
  • স্বাস্থ্যসেবা:
    • টেলিমেডিসিন, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা
    • ২০২৩ সালে, প্রায় ১০০ টি সরকারি হাসপাতাল টেলিমেডিসিন সেবা প্রদান করছে।
  • কৃষি:
    • কৃষকদের জন্য তথ্য ও প্রশিক্ষণ
    • ২০২৩ সালে, প্রায় ১০ মিলিয়ন কৃষক কৃষি তথ্য সেবা ব্যবহার করছে।
  • রोजगार:
    • তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
    • ২০২৩ সালে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রায় ১.১ মিলিয়ন

চ্যালেঞ্জ:

  • ডিজিটাল বিভাজন: শহর ও গ্রামের মধ্যে, ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ডিজিটাল বিভাজন বিদ্যমান।
  • সাইবার নিরাপত্তা: সাইবার অপরাধ, হ্যাকিং, ডেটা লিকেজ, ইত্যাদি
  • দক্ষ জনবলের অভাব: দক্ষ তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর অভাব
  • অবকাঠামোগত ঘাটতি: বিদ্যুৎ সরবরাহ, ইন্টারনেট সংযোগ, ইত্যাদি

উপসংহার:

তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে, ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করা সম্ভব।

তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা ২০ পয়েন্ট

ভূমিকা:

বর্তমান যুগে তথ্য প্রযুক্তি (IT) জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। ব্যক্তিগত, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় সকল ক্ষেত্রে এর প্রভাব স্পষ্ট। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে।

বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তির অগ্রগতি:

  • মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি: বর্তমানে বাংলাদেশে ১৮ কোটিরও বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী রয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় 100%। 2010 সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র 6 কোটি।
  • ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি: বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ কোটিরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় 70%। 2010 সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র 2 কোটি।
  • ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের প্রসার: বাংলাদেশে বর্তমানে 4G এবং 5G মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু রয়েছে। 2013 সালে 3G নেটওয়ার্ক চালু হওয়ার পর থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • সফ্টওয়্যার ও আইটি এনাবলড সার্ভিস (ITES) শিল্পের প্রসার: বাংলাদেশ বর্তমানে ITES রপ্তানি থেকে বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করছে। 2010 সালে এই আয় ছিল মাত্র 100 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
  • ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য: ২০২১ সালে বাংলাদেশকে “ডিজিটাল বাংলাদেশ” হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাব:

  • অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান: তথ্য প্রযুক্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
  • শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন: তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে।
  • স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে উন্নয়ন: তথ্য প্রযুক্তি স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে উন্নত সেবা প্রদানে সহায়তা করছে।
  • সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি: তথ্য প্রযুক্তি সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করছে।
  • নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা: তথ্য প্রযুক্তি নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব:

  • ডিজিটাল বিভাজন: তথ্য প্রযুক্তির সুযোগ-সুবিধা সকলের কাছে সমানভাবে পৌঁছায় না।
  • সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি: তথ্য প্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে সাইবার অপরাধও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • অনলাইনে প্রতারণা বৃদ্ধি: অনলাইনে প্রতারণা ও হ্যাকিং বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহারে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
  • **মানসিক স্বাস্থ্যের উপর

তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ: ২০ পয়েন্টে আলোচনা

ভূমিকা:

তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) বর্তমান সময়ের বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির মধ্যে একটি। বাংলাদেশও এই ক্ষেত্রে দ্রুত অগ্রগতি করছে।

বাংলাদেশের আইটি ক্ষেত্রের ২০টি গুরুত্বপূর্ণ দিক:

১. দ্রুত বর্ধনশীল: বাংলাদেশের আইটি শিল্প বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল শিল্পগুলির মধ্যে একটি।

২. অবদান: জিডিপিতে আইটি শিল্পের অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৩. রপ্তানি: আইটি শিল্প থেকে রপ্তানি আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৪. কর্মসংস্থান: আইটি শিল্পে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

৫. ফ্রিল্যান্সিং: বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে একটি।

৬. স্টার্টআপ: বাংলাদেশে স্টার্টআপ সংস্থার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৭. ই-কমার্স: ই-কমার্স ব্যবসার প্রসার ঘটছে।

৮. ডিজিটাল সরকার: সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

৯. সরকারি সেবা: অনলাইনে বিভিন্ন সরকারি সেবা পাওয়া যাচ্ছে।

১০. যোগাযোগ ব্যবস্থা: টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার দ্রুত উন্নয়ন ঘটেছে।

১১. মোবাইল ইন্টারনেট: মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

১২. ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ব্যবহারও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

১৩. তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা: তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

১৪. আইটি পার্ক: বিভিন্ন আইটি পার্ক স্থাপিত হচ্ছে।

১৫. সফটওয়্যার রপ্তানি: সফটওয়্যার রপ্তানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

১৬. হার্ডওয়্যার উৎপাদন: হার্ডওয়্যার উৎপাদনও শুরু হয়েছে।

১৭. আইটি নিরাপত্তা: আইটি নিরাপত্তার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

১৮. চ্যালেঞ্জ: আইটি ক্ষেত্রে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

১৯. সমাধান: চ্যালেঞ্জগুলি সমাধানের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

২০. ভবিষ্যৎ: বাংলাদেশের আইটি শিল্পের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।

উপসংহার:

তথ্য প্রযুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ । তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা ২০ পয়েন্ট”

Your email address will not be published. Required fields are marked *