তারাবির নামাজ কত রাকাত । তারাবির নামাজের নিয়ত আরবিতে

750.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639</span>

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।<br />৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

743 in stock

Description

তারাবির নামাজ কত রাকাত । তারাবির নামাজের রাকাত সংখ্যা নিয়ে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

তারাবির নামাজ কত রাকাত

মতভেদের কারণ:

তারাবির নামাজের রাকাত সংখ্যা নিয়ে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে কারণ এ বিষয়ে হাদিসে স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। বিভিন্ন সাহাবী ও তাবেঈদের বর্ণিত হাদিস থেকে বিভিন্ন রাকাত সংখ্যার প্রমাণ পাওয়া যায়।

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

প্রধান মত দুটি:

১) ৮ রাকাত:

  • হাদিসের ভিত্তি: বুখারী ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী, রাসুল (সাঃ) রমজান মাসে ৮ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করতেন।
  • উদাহরণ:
    • আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) রমজান মাসে আমাদেরকে ৮ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করার নির্দেশ দিতেন।” (বুখারী)
    • আয়েশা (রাঃ) বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) রমজান মাসে ৮ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করতেন।” (মুসলিম)
  • অনুসারী: ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালিক, ইমাম শাফিঈ ও ইমাম আহমাদ (রহ.)-এর একাংশ।

রোজার নিয়ত আরবি । ইফতারের নিয়ত

২) ২০ রাকাত:

  • হাদিসের ভিত্তি: মুসলিম শরীফে বর্ণিত আরেকটি হাদিস অনুযায়ী, রাসুল (সাঃ) কোন কোন রাতে ২০ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করতেন।
  • উদাহরণ:
    • আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কোন কোন রাতে ২০ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করতেন।” (মুসলিম)
  • অনুসারী: ইমাম আহমাদ (রহ.)-এর অপরাংশ ও অনেক সাহাবী ও তাবেঈ।

অন্যান্য মত:

  • ১১ রাকাত: ইমাম উমর (রাঃ)-এর আমলে কিছুদিন ১১ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করা হত।
  • ৩৬ রাকাত: কিছু তাবেঈ ৩৬ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করতেন।

কোন মতটি অনুসরণ করবেন?

  • সর্বোত্তম মত: ৮ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করা।

  • বিকল্প:

  • আপনি যদি ৮ রাকাতের চেয়ে বেশি নামাজ আদায় করতে চান, তাহলে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করতে পারেন।
  • ২০ রাকাতের পক্ষেও হাদিসের প্রমাণ রয়েছে।
  • গুরুত্বপূর্ণ:

    • নামাজের পূর্বে মসজিদের ইমামের নিকট রাকাত সংখ্যা সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত।
    • অন্যের সাথে ঝগড়া না করে নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী নামাজ আদায় করা উচিত।

আরও তথ্যের জন্য:

তারাবির নামাজের নিয়ম নিয়ত ও দোয়া । তারাবির নামাজের নিয়ম বাংলা

তারাবির নামাজের নিয়ত আরবিতে

نويت أن أصلي لله تعالى ركعتي صلاة التراويح سنة رسول الله تعالى متوجهاً إلى جهة الكعبة الشريفة الله أكبر

উচ্চারণ:

নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা, রাকাআতাই সালাতিত তারাবিহ, সুন্নাতে রাসূলিল্লাহি তায়ালা, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার।

অর্থ:

আমি কেবলামুখী হয়ে দু’রাকাত তারাবিহর সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজের নিয়ত করছি; আল্লাহু আকবার।

ব্যাখ্যা:

  • নিয়তের অংশ:

    • نويت (নাওয়াইতু): “আমি নিয়ত করছি” – এই শব্দটি দ্বারা আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের ইচ্ছা প্রকাশ করি যে আমরা নামাজ আদায় করতে চাই।
    • أن أصلي (আন উসাল্লিয়া): “যে আমি নামাজ পড়ব” – এই শব্দটি দ্বারা আমরা আমাদের কর্মের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করি।
    • لله تعالى (লিল্লাহি তায়ালা): “আল্লাহর জন্য” – এই শব্দটি দ্বারা আমরা স্পষ্ট করি যে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য নামাজ আদায় করছি।
    • ركعتي (রাকাআতাই): “দু’রাকাত” – এই শব্দটি দ্বারা আমরা নামাজের রাকাআতের সংখ্যা নির্দিষ্ট করি।
    • صلاة التراويح (সালাতিত তারাবিহ): “তারাবিহর নামাজ” – এই শব্দটি দ্বারা আমরা কোন নির্দিষ্ট নামাজের নিয়ত করছি তা স্পষ্ট করি।
    • سنة رسول الله تعالى (সুন্নাতে রাসূলিল্লাহি তায়ালা): “রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নত” – এই শব্দটি দ্বারা আমরা স্পষ্ট করি যে আমরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর অনুসরণ করে নামাজ আদায় করছি।
    • متوجهاً إلى جهة الكعبة الشريفة (মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি): “কেবলামুখী হয়ে” – এই শব্দটি দ্বারা আমরা নামাজের জন্য কেবলার দিকে মুখ করে থাকার গুরুত্ব স্পষ্ট করি।
    • الله أكبر (আল্লাহু আকবার): “আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ” – এই শব্দটি দ্বারা আমরা আল্লাহর মহত্ত্ব ও গৌরব প্রকাশ করি।

উদাহরণ:

আমি কেবলামুখী হয়ে দু’রাকাত তারাবিহর সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহর জন্য।

আরও বিবরণ:

  • নিয়ত করার সময় মনোযোগী থাকা উচিত।
  • নিয়ত মনে মনে করাই যথেষ্ট, জোরে বলতে হবে না।
  • নিয়তের ভাষা সহজ ও সরল হওয়া উচিত।
  • নিয়তের শেষে “আল্লাহু আকবার” বলে তাকবির তাহরিমা বেঁধে নামাজ শুরু করতে হবে।

বিঃদ্রঃ:

  • জামাআতে পড়লে নিয়তের শেষে “مع الإمام” (মা’আল ইমাম) যোগ করতে হবে। অর্থ “ইমামের সাথে”।
  • নিয়ত মনে মনে করাই যথেষ্ট, জোরে বলতে হবে না।

আরও তথ্য:

আরো পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

পড়ুনঃ আ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম/ আ দিয়ে মেয়েদের  ইসলামিক নাম

 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “তারাবির নামাজ কত রাকাত । তারাবির নামাজের নিয়ত আরবিতে”

Your email address will not be published. Required fields are marked *