শবে বরাতের ইতিহাস

320.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639</span>

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

<strong>ব্যবহারের সুবিধা;&amp;lt;/strong&gt;&amp;lt;br /&amp;gt;১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।<br />৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
ss=”yoast-text-mark” />>৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

730 in stock

Description

শবে বরাতের ইতিহাস । শবে বরাত ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাত। এটি শাবান মাসের ১৫ তারিখে পালিত হয়। এই রাতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের রহমত বর্ষণ করেন, গুনাহ মাফ করেন এবং ভাগ্য নির্ধারণ করেন।

আরো পড়ুনঃ ২ পিস চামড়ার বেল্ট ৬০০ টাকা কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

শবে বরাতের ইতিহাস

ইতিহাস:

  • হাদিসে: হাদিসে শবে বরাতের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে। বলা হয়েছে, এই রাতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের রহমত বর্ষণ করেন, গুনাহ মাফ করেন এবং ভাগ্য নির্ধারণ করেন।
  • উৎপত্তি: শবে বরাত পালনের সুনির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে স্পষ্ট কোন তথ্য নেই। তবে ধারণা করা হয়, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সময় থেকেই এই রাতটি পালিত হয়ে আসছে।
  • ঐতিহ্য: বিভিন্ন দেশে শবে বরাত পালনের রীতিনীতি ভিন্ন ভিন্ন। তবে, নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া-মাহফিল, মৃতদের জন্য দোয়া, এবং দান-খয়রাত এই রাতের সাধারণ আমল।

গুরুত্ব:

  • ক্ষমা: শবে বরাত ক্ষমার রাত। এই রাতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের গুনাহ মাফ করেন।
  • ভাগ্য: ধারণা করা হয়, এই রাতে আগামী এক বছরের জন্য মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করা হয়।
  • আধ্যাত্মিক উন্নয়ন: শবে বরাত আত্মিক উন্নয়নের একটি অনন্য সুযোগ। এই রাতে নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা সম্ভব।

বিতর্ক:

  • কিছু মুসলিম পণ্ডিত শবে বরাত পালনের বিরোধিতা করেন। তাদের যুক্তি হল, এই রাতের বিশেষ ফজিলত সম্পর্কে কোন স্পষ্ট হাদিস নেই।
  • তারা মনে করেন, নবীজী (সাঃ) এর সময় এই রাতটি পালিত হতো না।

শবে বরাত এর ইতিহাস

শবে বরাত, যা “মধ্য শাবান” বা “লাইলাতুল বরাত” নামেও পরিচিত, হিজরি শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাত। এই রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ধর্মীয়ভাবে পবিত্র।

ইতিহাস:

  • শবে বরাত পালনের কোন স্পষ্ট নির্দেশ হাদিসে পাওয়া যায় না।
  • তবে, কিছু তাবেয়ী ও সাহাবীদের থেকে এই রাতে বিশেষ নামাজ ও ইবাদতের কথা জানা যায়।
  • ৫ম শতাব্দীতে ইরাক ও মিশরের কিছু স্থানে শবে বরাত পালনের প্রথা শুরু হয়।
  • ৮ম শতাব্দীতে আব্বাসীয় খলিফা ‘মামুনুর রশিদ’ এই রাতে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘দোয়া ও ইস্তেগফার’ করার নির্দেশ দেন।
  • ধীরে ধীরে এই রাত পালনের প্রথা সারা মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

বিভিন্ন দেশে শবে বরাত:

  • বাংলাদেশ: এই রাতে মুসলমানরা রোজা রাখে, নামাজ পড়ে, কোরআন তেলাওয়াত করে, দোয়া ও ইস্তেগফার করে। অনেকে মসজিদে গিয়ে রাত জেগে ইবাদত করে।
  • ভারত: বাংলাদেশের মতোই এখানেও রোজা, নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও ইস্তেগফার করা হয়।
  • ইরান: শিয়া মুসলিমরা এই রাতে ইমাম মাহদির জন্মদিন উদযাপন করে।
  • সৌদি আরব: শবে বরাত পালনের কোন রীতিনীতি নেই।

বিতর্ক:

  • শবে বরাত পালনের বৈধতা নিয়ে মুসলিম আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
  • কিছু আলেম মনে করেন, এই রাতে বিশেষ ইবাদতের কোন নির্দেশ না থাকায় এটি পালন করা উচিত নয়।
  • অন্যদিকে, অনেকে মনে করেন, তাবেয়ী ও সাহাবীদের ঐতিহ্য অনুসরণ করে এই রাতে বিশেষ ইবাদত করা যেতে পারে।

শেষ কথা:

শবে বরাত পালনের ব্যাপারে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও, এই রাতটি আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও অনুগ্রহ লাভের একটি বিশেষ সুযোগ।

উপসংহার:

শবে বরাত পালন একটি বিতর্কিত বিষয়। তবে, যারা এই রাতটি পালন করেন, তারা আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের আশায় নফল ইবাদত করেন।

দ্রষ্টব্য:

  • শবে বরাত পালনের রীতিনীতি ভিন্ন ভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
  • আপনার এলাকার ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসারে এই রাতটি পালন করা উচিত।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “শবে বরাতের ইতিহাস”

Your email address will not be published. Required fields are marked *