শবে বরাতের ফজিলত

550.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

742 in stock

Description

শবে বরাতের ফজিলত । শবেবরাত, হিজরি শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাত, মুসলমানদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাত। ‘বরাত’ শব্দের অর্থ ‘মুক্তি’, ‘নিষ্কৃতি’, ‘অব্যাহতি’। এই রাতে আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের গুনাহ মাফ করেন, রিযিক নির্ধারণ করেন এবং পরবর্তী এক বছরের ঘটনাপঞ্জী লিপিবদ্ধ করেন।

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

শবে বরাতের ফজিলত:

বরাতের ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে বর্ণিত:

  • হযরত আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূল (সাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি জানো আজকের রাত কোন রাত?” হযরত আয়শা (রা.) বললেন, “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন।” রাসূল (সাঃ) বললেন, “এটি লাইলাতুল বরাত। আজ রাতে আল্লাহ তায়ালা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বছরের সকল জীবের রিযিক নির্ধারণ করেন।” (তিরমিযী)
  • হযরত উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “শাবান মাসের পনেরো তারিখের রাতে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নাম থেকে এত লোককে মুক্তি দেন যত লোক রমজান মাসে মুক্তি পায়।” (ইবনে মাজাহ)
  • হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “শাবান মাসের পনেরো তারিখের রাতে আল্লাহ তায়ালা ‘ফরশতায়ে রহমত’ নামক একজন ফেরেশতা পাঠান। ফেরেশতাটি জিজ্ঞেস করে, ‘হে আল্লাহ! তুমি কি ক্ষমাশীল নও? তুমি কি রহম করেন না? তুমি কি তওবা গ্রহনকারী নও?’ আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি ক্ষমাশীল, রহম করি এবং তওবা গ্রহনকারী। তাই তুমি আমার বান্দাদের মধ্যে থেকে যারা তওবা করেছে তাদের সকলকে ক্ষমা করে দাও।'” (মুসলিম)

শবে বরাতের করণীয়:

  • রাত জেগে ইবাদত করা: নফল নামাজ, তেলাওয়াতে কুরআন, দোয়া-মুনাজাত, যিকির-আজকার করা।
  • রোজা রাখা: শাবান মাসের ১৪ তারিখে রোজা রাখা সুন্নত।
  • দান-সদকা করা: দান-সদকা করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা।
  • ক্ষমা প্রার্থনা করা: নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
  • পরিবার-পরিজন ও মুমিনদের জন্য দোয়া করা।

শবেবরাতের রাত আল্লাহর রহমত ও ক্ষমার রাত। এই রাতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা, দোয়া-মুনাজাত এবং ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করা উচিত।

শবে বরাতের ফজিলত: বিস্তারিত আলোচনা

ফজিলতের বিস্তারিত:

  • ক্ষমার রাত:

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, “যখন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত আসবে তখন তোমরা রাত জেগে ইবাদত করবে এবং দিনের বেলা রোজা রাখবে। এই রাতে আল্লাহ তা’আলা ‘আরশ’ এর উপরে স্থান করে বলেন, ‘আছে কি কেউ ক্ষমা চায়, যাতে তাকে ক্ষমা করা হয়? আছে কি কেউ রিযিক চায়, যাতে তাকে রিযিক দেওয়া হয়? আছে কি কেউ বিপদে মুখস্থ, যাতে তাকে বিপদ থেকে মুক্ত করা হয়?'” (তিরমিযী)

আল্লাহ তা’আলা জাহান্নাম থেকে অসংখ্য বান্দাকে মুক্তি দেন।

  • রিজক নির্ধারণের রাত:

আগামী এক বছরের জন্য মানুষের রিজিক নির্ধারণ করা হয়।

  • দোয়া কবুলের রাত:

দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

  • ফেরেশতাদের অবতরণের রাত:

এরাতে অসংখ্য ফেরেশতা পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং আল্লাহর রহমত বিতরণ করেন।

  • নাম লেখার রাত:

এ রাতে আগামী এক বছরের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী ও মৃত্যুবরণকারীদের নাম লেখা হয়।

আমলের বিস্তারিত:

  • রাত জেগে ইবাদত করা:

এ রাতে রাত জেগে নামাজ, তেলাওয়াত, দোয়া, তাহাজ্জুদ, ইত্যাদি ইবাদত করা।

  • রোজা রাখা:

শবে বরাতের দিন রোজা রাখা।

  • দোয়া করা:

 বেশি বেশি দোয়া করা।

  • ক্ষমা চাওয়া:

আল্লাহর কাছে গোনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া।

  • সদকা করা:

এ রাতে সদকা করা।

উদাহরণ:

  • দোয়া:

নিজের, পরিবারের, বন্ধুবান্ধবের, এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য ক্ষমা ও সুখ-শান্তির জন্য দোয়া করা যেতে পারে।

  • ক্ষমা চাওয়া:

আল্লাহর কাছে গোনাহের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।

  • সদকা:

এ রাতে গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করার জন্য সদকা করা যেতে পারে।

বিবরণ:

  • ক্ষমার রাত:

এ রাতে আল্লাহ তা’আলা কত বান্দাকে ক্ষমা করেন তার সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়। তবে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, এ রাতে জাহান্নামের দরজা বন্ধ

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “শবে বরাতের ফজিলত”

Your email address will not be published. Required fields are marked *