ক্যাপসিকাম বীজের দাম । ক্যাপসিকাম চাষ পদ্ধতি পশ্চিমবঙ্গে

400.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639&amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;lt;/span&amp;gt;</span></h3>

♣ ঢাকার

বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
২, সহবাসে নতুনত্ব আনতে সহায়তা করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।&lt;br /&gt;৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
>৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।<br />৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

742 in stock

Description

ক্যাপসিকাম বীজের দাম । ক্যাপসিকাম চাষ পদ্ধতি পশ্চিমবঙ্গে । ক্যাপসিকাম বীজের দাম বিভিন্ন জিনিসের উপর নির্ভর করে, যেমন বীজের জাত, কোম্পানি, বিক্রেতা, এবং বীজের পরিমাণ।

ক্যাপসিকাম বীজের দাম

কিছু উদাহরণ:

  • মিশ্র রঙের ক্যাপসিকাম বীজ:
    • দারাজ: ৳ 130 (1 প্যাকেট, 3 গ্রাম)
    • সিডসমেট: ৳ 199 (250 বীজ)
  • লাল ক্যাপসিকাম বীজ:
    • সাতোল এক্সপ্রেস: ৳ 150 (1 গ্রাম)
    • হালাল এগ্রো ফার্ম: ৳ 780 (1000 বীজ)
  • সবুজ ক্যাপসিকাম বীজ:
    • হালাল এগ্রো ফার্ম: ৳ 780 (1000 বীজ)

মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

  • হলুদ ক্যাপসিকাম: ৳ 100 থেকে শুরু, বিভিন্ন জাতের দাম ভিন্ন
  • বেগুনি ক্যাপসিকাম: ৳ 120 থেকে শুরু, বিভিন্ন জাতের দাম ভিন্ন
  • ঝাল ক্যাপসিকাম: ৳ 80 থেকে শুরু, বিভিন্ন জাতের দাম ভিন্ন

কোম্পানি:

  • প্রিমিয়াম কোম্পানির বীজ: ৳ 200 থেকে শুরু
  • স্থানীয় কোম্পানির বীজ: ৳ 100 থেকে শুরু

বিক্রেতা:

  • অনলাইন বিক্রেতা: দারাজ, সিডসমেট, ইত্যাদি
  • স্থানীয় বীজের দোকান: বিভিন্ন বীজের দোকানে দাম ভিন্ন হতে পারে

বীজের পরিমাণ:

  • ছোট প্যাকেট: ৳ 50 থেকে শুরু
  • বড় প্যাকেট: ৳ 200 থেকে শুরু

কিছু টিপস:

  • বিক্রেতার রিভিউ এবং রেটিং দেখে কেনার সিদ্ধান্ত নিন।
  • বিভিন্ন বিক্রেতার দাম তুলনা করুন।
  • বীজের পরিমাণ আপনার চাহিদা অনুযায়ী কিনুন।
  • বীজ কেনার আগে বীজের জাত সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন।

কিছু বিক্রেতার ওয়েবসাইট:

  • দারাজ:
    • মিশ্র রঙের ক্যাপসিকাম বীজ (1 প্যাকেট, 3 গ্রাম): ৳ 130
    • লাল ক্যাপসিকাম বীজ (1 প্যাকেট, 1 গ্রাম): ৳ 180
  • সিডসমেট:
    • মিশ্র রঙের ক্যাপসিকাম বীজ (250 বীজ): ৳ 199
    • লাল ক্যাপসিকাম বীজ (500 বীজ): ৳ 350
  • হালাল এগ্রো ফার্ম:
    • লাল ক্যাপসিকাম বীজ (1000 বীজ): ৳ 780
    • সবুজ ক্যাপসিকাম বীজ (1000 বীজ): ৳ 780

আরও তথ্যের জন্য:

পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ আ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম/ আ দিয়ে মেয়েদের  ইসলামিক নাম

মনে রাখবেন:

  • বীজের দাম পরিবর্তন হতে পারে।
  • বীজ কেনার আগে বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করে সর্বশেষ দাম জেনে নিন।

ক্যাপসিকাম চাষ পদ্ধতি পশ্চিমবঙ্গে

পশ্চিমবঙ্গে ক্যাপসিকাম চাষ পদ্ধতি:

মাটি:

  • ক্যাপসিকাম চাষের জন্য দোঁয়াশ মাটি সবচেয়ে ভালো।
  • মাটির pH 6.0 থেকে 7.0 এর মধ্যে হওয়া উচিত।
  • জমিতে জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ভালো হতে হবে।

জাত নির্বাচন:

  • পশ্চিমবঙ্গে ক্যাপসিকামের বিভিন্ন জাত চাষ করা হয়।
  • কিছু জনপ্রিয় জাত হলো:
    • ক্যালিফোর্নিয়া ওয়ান্ডার
    • ইয়োলো ওয়ান্ডার
    • কাশ্মীরি মরিচ
    • পি.কে.এম. 1
    • বি.এস.এস. 1

বীজ বপন:

  • বীজ বপনের জন্য জমি ভালো করে তৈরি করে নিতে হবে।
  • জমিতে জৈব সার ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হবে।
  • বীজ বপনের সময় লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব 60 সেমি এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব 45 সেমি রাখতে হবে।

চারা রোপণ:

  • বীজ বপনের 20-25 দিন পর চারা রোপণ করতে হবে।
  • চারা রোপণের সময় গর্তে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে।

সেচ:

  • ক্যাপসিকাম গাছে নিয়মিত সেচ দিতে হবে।
  • গরমের সময় দিনে দুবার এবং শীতের সময় দিনে একবার সেচ দিতে হবে।

সার প্রয়োগ:

  • ক্যাপসিকাম গাছে জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হবে।
  • জৈব সার হিসেবে গোবর সার, কম্পোস্ট সার ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • রাসায়নিক সার হিসেবে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে।

আগাছা দমন:

  • জমিতে নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
  • আগাছা দমনের জন্য কৃষি ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে।

রোগ ও পোকামাকড়ের দমন:

  • ক্যাপসিকাম গাছে বিভিন্ন রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ হতে পারে।
  • রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ দমনের জন্য কৃষি ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে।

ফসল সংগ্রহ:

  • ক্যাপসিকাম ফল পাকলে সংগ্রহ করতে হবে।
  • ফল সংগ্রহের সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

উৎপাদন:

  • পশ্চিমবঙ্গে ক্যাপসিকামের গড় উৎপাদন হেক্টর প্রতি 20-25 টন।

বাজারজাতকরণ:

  • ক্যাপসিকাম স্থানীয় বাজার ও বড় বাজারে বিক্রি করা হয়।

লাভ:

  • ক্যাপসিকাম চাষে ভালো লাভ হয়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

  • ক্যাপসিকাম চাষের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা উচিত।
  • ক্যাপসিকাম চাষের জন্য প্রশিক্ষণ নেওয়া উচিত।
  • ক্যাপসিকাম চাষের জন্য সরকারের বিভিন্ন সহায়তা পাওয়া যায়।

পড়ুনঃ লুব্রিকেন্ট জেল কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ক্যাপসিকাম বীজের দাম । ক্যাপসিকাম চাষ পদ্ধতি পশ্চিমবঙ্গে”

Your email address will not be published. Required fields are marked *