গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ । গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ কি

550.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

742 in stock

Description

গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ । গ্যাস্ট্রিক আলসারের অনেকগুলি কারণ রয়েছে এবং কারণের উপর নির্ভর করে, সাহায্য করতে পারে এমন অনেকগুলি ওষুধ রয়েছে। গ্যাস্ট্রিক আলসারের সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলির মধ্যে রয়েছে:

গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ

  • এইচ পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া : এই ব্যাকটেরিয়াটি পাকস্থলীর আস্তরণকে সংক্রমিত করতে পারে, কারণ হতে পারে আলসার। এইচ পাইলোরি সংক্রমণ চিকিত্সা করা হয় সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের একটি কোর্স দিয়ে।

  • ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগস (NSAIDs) : এই ওষুধগুলি, যেমন আইবুপ্রোফেন এবং ন্যাপ্রোক্সেন, ব্যথা এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে এগুলি পাকস্থলীর আস্তরণকেও জ্বালাতন করতে পারে এবং আলসার হতে পারে।

  • অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান : অ্যালকোহল পাকস্থলীর আস্তরণকে জ্বালাতন করতে পারে এবং আলসার হতে পারে।

  • ধূমপান : ধূমপান পাকস্থলীর আস্তরণকে ক্ষতি করতে পারে এবং আলসারের নিরাময়কে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।

আলসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধের মধ্যে রয়েছে:

  • প্রোটন পাম্প ইনহিবিটরস (পিপিআই) : এই ওষুধগুলি পাকস্থলী উৎপাদিত অ্যাসিডের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। পিপিআই-এর মধ্যে রয়েছে ওমেপ্রাজল, ল্যানসোপ্রাজল এবং প্যান্টোপ্রাজল।

  • হিস্টামিন (H2) রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্টস : এই ওষুধগুলিও পাকস্থলী দ্বারা উৎপাদিত অ্যাসিডের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। H2 ব্লককারীদের মধ্যে রয়েছে সিমেটিডিন, রানিটিডিন এবং নিজাটিডিন।

  • অ্যান্টাসিডস : এই ওষুধগুলি পাকস্থলীতে অ্যাসিড নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করে। অ্যান্টাসিডের মধ্যে রয়েছে টামাল্ড, ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড এবং ক্যালসিয়াম কার্বনেট।

  • সুক্রালফেট : এই ওষুধটি পাকস্থলী এবং ছোট অন্ত্রের আস্তরণে একটি সুরক্ষামূলক বাধা তৈরি করতে সাহায্য করে। সুক্রালফেট আলসারকে নিরাময় করতে এবং ব্যথার উপশম করতে সাহায্য করতে পারে।

  • মিশোপ্রোস্টল : এই ওষুধটি প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন নাম

আলসার এর ঔষধ নির্ভর করে আলসারের কারণের উপর।

সাধারণ কারণ এবং ঔষধ:

  • এইচ. পাইলোরি (H. pylori) ব্যাকটেরিয়া:

    • অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স, যেমন অ্যামোক্সিসিলিন, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন, মেট্রোনিডাজল
  • ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগস (NSAIDs):

    • প্রোটন পাম্প ইনহিবিটরস (পিপিআই), যেমন ওমেপ্রাজল, ল্যানসোপ্রাজল
    • H2 ব্লককারী, যেমন সিমেটিডিন, রানিটিডিন
  • অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান/ধূমপান:

    • অ্যালকোহল ও ধূমপান বন্ধ করা
    • উপরে উল্লিখিত ঔষধ (প্রয়োজন অনুসারে)

গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ কি

অন্যান্য ঔষধ:

  • সুক্রালফেট: আলসারের
  • মিশোপ্রোস্টল: প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন
  • অ্যান্টাসিড:

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

  • আপনার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ সেবন করবেন না।
  • আপনার ডাক্তার যেভাবে ঔষধ সেবন করতে বলেছেন সেভাবেই সেবন করুন।
  • ঔষধের পুরো কোর্স শেষ করুন, এমনকি যদি আপনার ভালো লাগে তবুও।
  • আপনার যদি ঔষধের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তাহলে আপনার ডাক্তারকে জানান।

গ্যাস্ট্রিক আলসার ঔষধ ছাড়াও, কিছু জীবনধারা পরিবর্তন আলসারের প্রতিরোধ ও নিরাময়ে সাহায্য করতে পারে:

  • নিয়মিত খাবার খান।
  • মসলাযুক্ত ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • ধূমপান ও অ্যালকোহল পান বন্ধ করুন।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।
  • মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন।

 

গ্যাস্ট্রিক আলসারের অনেকগুলি কারণ রয়েছে, এবং কারণের উপর নির্ভর করে, অনেকগুলি ওষুধ বা চিকিত্সা রয়েছে যা সাহায্য করতে পারে।

আলসারের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল হেলিকোব্যাক্টর পাইলরি (এইচ. পাইলরি) ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়াগুলি আপনার পাকস্থলীর অস্তরের প্রদাহ হতে পারে, যার ফলে আলসার হতে পারে। এইচ. পাইলরি সংক্রমণ চিকিত্সা করা হয় সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের একটি কোর্স দিয়ে।

গ্যাস্ট্রিক আলসারের আরেকটি সাধারণ কারণ হল ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগস (NSAIDs) ব্যবহার, যেমন আইবুপ্রোফেন বা ন্যাপ্রোক্সেন। এই ওষুধগুলি আপনার পাকস্থলীর অস্তরের একটি সুরক্ষামূলক বাধা ক্ষতি করতে পারে, যার ফলে আলসার হতে পারে। আপনি যদি NSAIDs নিতে হবে, তাহলে আপনার ডাক্তার আপনাকে প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (PPI) নিতেও বলতে পারেন, যা এই ধরনের আলসার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।

অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করা
  • ধূমপান
  • ক্যাফেইন পান করা
  • চাপ

গ্যাস্ট্রিক আলসারের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • পেটে ব্যথা
  • বমি বমি ভাব
  • বমি
  • অম্বল
  • ক্ষুধামান্দ্য
  • ওজন কমানো

আপনি যদি এই লক্ষণগুলির মধ্যে কোনটি অনুভব করেন তবে আপনার ডাক্তারের সাথে দেখা করা গুরুত্বপূর্ণ যাতে তারা আপনার আলসারের কারণ নির্ণয় করতে পারে এবং সঠিক চিকিত্সা নিশ্চিত করতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক আলসারের চিকিৎসায় সাধারণত জীবনধারার পরিবর্তন এবং ওষুধের সংমিশ্রণ জড়িত। জীবনধারার পরিবর্তনগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • অ্যালকোহল, ধূমপান এবং ক্যাফেইন এড়ানো
  • নিয়মিত খাবার খাওয়া
  • ছোট, আরও ঘন খাবার খাওয়া
  • চাপ কমানো

ওষুধ যা গ্যাস্ট্রিক আলসারের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে তার মধ্যে রয়েছে:

  • অ্যান্টিবায়োটিক, এইচ. পাইলরি সংক্রমণের চিকিৎসা করার জন্য
  • প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (পিপিআই), পাকস্থলীর অ্যাসিড উত্পাদন কমাতে
  • হিস্টামাইন (এইচ 2) রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট, পাকস্থলীর অ্যাসিড উত্পাদনও কমাতে
  • অ্যান্টাসিড, পাকস্থলীর অ্যাসিড নিরপেক্ষ করতে
  • সুক্রালফেট, আলসারের উপর একটি সুরক্ষামূলক বাধা তৈরি করতে

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, গ্যাস্ট্রিক আলসার জীবনধারার পরি

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ । গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঔষধ কি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *