কিডনি কত পয়েন্ট । বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসা

1,150.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।

742 in stock

Description

কিডনি কত পয়েন্ট । আপনার প্রশ্নটি একটু অস্পষ্ট। “কিডনি কত পয়েন্ট” বলতে আপনি ঠিক কী জানতে চাইছেন, তা স্পষ্ট নয়।

কিডনি কত পয়েন্ট

আপনি কি নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর মধ্যে কোনটি জানতে চাইছেন?

পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

১) কিডনির কার্যকারিতা:

  • কিডনির কার্যকারিতা মাপার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষাগুলোর ফলাফলের উপর ভিত্তি করে কিডনির কার্যকারিতা নির্ধারণ করা হয়।
  • সাধারণত, কিডনির কার্যকারিতা শতাংশ হিসেবে প্রকাশ করা হয়। ১০০% মানে কিডনি সঠিকভাবে কাজ করছে।
  • যদি কিডনির কার্যকারিতা ৬০% এর কম হয়, তাহলে তাকে কিডনি রোগ বলা হয়।
  • কিডনি রোগের বিভিন্ন স্তর রয়েছে। স্তরের উপর নির্ভর করে কিডনির কার্যকারিতা কতটা কমেছে তা বোঝা যায়।
  • ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা: রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা পরীক্ষা করে কিডনির কার্যকারিতা বোঝা যায়।
    • স্বাভাবিক পুরুষের ক্ষেত্রে: প্রতি ডেসি লিটার রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মান ০.৬-১.২ মিলিগ্রাম
    • স্বাভাবিক নারীর ক্ষেত্রে: প্রতি ডেসি লিটার রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মান ০.৫-১.১ মিলিগ্রাম
    • একটা কিডনি যাদের নেই: প্রতি ডেসি লিটার রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মান ১.৮ মিলিগ্রাম পর্যন্ত স্বাভাবিক।
    • প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে: রক্তে ক্রিয়েটিনিন ৫.০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের চেয়ে বেশি হলে কিডনী ড্যামেজ হয়েছে বুঝা যায়।
  • রক্ত ​​ইউরিয়া নাইট্রোজেন (BUN) পরীক্ষা: এই পরীক্ষাটি রক্তে BUN-এর মাত্রা পরিমাপ করে। BUN প্রোটিন বিপাকের একটি বর্জ্য পণ্য। কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করলে, রক্তে BUN-এর মাত্রা বেড়ে যায়।
  • গ্লোমারুলার ফিল্ট্রেশন হার (GFR) পরীক্ষা: এই পরীক্ষাটি কিডনির ফিল্টার করার ক্ষমতা পরিমাপ করে। GFR 60 mL/min/1.73 m^2 এর চেয়ে কম হলে কিডনি রোগের ইঙ্গিত দেয়।
  • কিডনির কার্যকারিতা শতাংশ হিসেবে প্রকাশ করা হয়। ১০০% মানে কিডনি সঠিকভাবে কাজ করছে।
  • কিডনির কার্যকারিতা 60% এর কম হলে তাকে কিডনি রোগ বলা হয়। কিডনি রোগের বিভিন্ন স্তর রয়েছে:
  • স্তর 1: GFR 90 mL/min/1.73 m^2 এর বেশি।
  • স্তর 2: GFR 60-89 mL/min/1.73 m^2।
  • স্তর 3: GFR 30-59 mL/min/1.73 m^2।
  • স্তর 4: GFR 15-29 mL/min/1.73 m^2।
  • স্তর 5: GFR 15 mL/min/1.73 m^2 এর কম বা ডায়ালাইসিস প্রয়োজন।

২) কিডনির গঠন:

  • কিডনি দুটি অংশে বিভক্ত: ডান কিডনি এবং বাম কিডনি।
  • প্রতিটি কিডনিতে লক্ষ লক্ষ ছোট ছোট ইউনিট থাকে যাকে নেফ্রন বলে।
  • নেফ্রন রক্ত ​​পরিষ্কার করে এবং বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে।
  • কিডনিতে রক্তনালী, স্নায়ু এবং অন্যান্য টিস্যুও রয়েছে।

৩) কিডনির অবস্থান:

  • কিডনি পেটের পিছনে, মেরুদণ্ডের দু’পাশে অবস্থিত।
  • ডান কিডনি লিভারের নীচে অবস্থিত।
  • বাম কিডনি প্লীহার নীচে অবস্থিত।

কিডনির কাজ:

  • রক্ত ​​পরিষ্কার করা: কিডনি রক্ত ​​থেকে বর্জ্য পদার্থ, অতিরিক্ত পানি এবং ইলেক্ট্রোলাইট অপসারণ করে।
  • হরমোন তৈরি করা: কিডনি এريث्रोपोয়েটিন নামক হরমোন তৈরি করে যা লাল রক্ত ​​কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।
  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: কিডনি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কিডনির ক্ষতির মাত্রা

  • GFR (Glomerular Filtration Rate): কিডনির ফিল্টারেশন ক্ষমতা GFR-এর মাধ্যমে বোঝা যায়।
    • GFR 60 ml/min/1.73 m2 বা তার বেশি: স্বাভাবিক কিডনি।
    • GFR 30-59 ml/min/1.73 m2: কিডনির ক্ষতির শুরু।
    • GFR 15-29 ml/min/1.73 m2: মৃদু কিডনি রোগ।
    • GFR 10-14 ml/min/1.73 m2: মাঝারি কিডনি রোগ।
    • GFR 5-9 ml/min/1.73 m2: গুরুতর কিডনি রোগ।
    • GFR 5 ml/min/1.73 m2-এর কম: কিডনি ব্যর্থতা।

কিডনি রোগের স্কোরিং সিস্টেম

  • KDIGO (Kidney Disease: Improving Global Outcomes) স্কোর:
    • GFR এবং প্রস্রাবে অ্যালবুমিনের মাত্রার উপর ভিত্তি করে কিডনি রোগের তীব্রতা নির্ধারণ করা হয়।
    • KDIGO স্কোর 1-5 পর্যন্ত, যেখানে 1 স্বাভাবিক কিডনি এবং 5 কিডনি ব্যর্থতা।

আপনার প্রশ্নটি আরও স্পষ্ট করে বললে আমি আপনাকে আরও ভালোভাবে সাহায্য করতে পারব।

আপনার যদি কিডনির স্বাস্থ্য সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

 

বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসা

চিকিৎসার ধরন:

  • কিডনি রোগের চিকিৎসা রোগের ধাপের উপর নির্ভর করে।
  • প্রাথমিক পর্যায়ে, জীবনধারা পরিবর্তন এবং ওষুধের মাধ্যমে কিডনি রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
  • উন্নত পর্যায়ে, ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হতে পারে।

সুবিধা:

  • বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে।
  • সরকারি হাসপাতালে কিডনি রোগের চিকিৎসা তুলনামূলকভাবে কম খরচে পাওয়া যায়।
  • বেসরকারি হাসপাতালে আরও উন্নত চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যায়।

খরচ:

  • কিডনি রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল হতে পারে।
  • ডায়ালাইসিসের খরচ প্রতি সপ্তাহে ৫,০০০ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
  • কিডনি প্রতিস্থাপনের খরচ ৫ লক্ষ টাকা থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

চ্যালেঞ্জ:

  • কিডনি রোগের চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ সময় লাগে।
  • কিডনি রোগের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত হাসপাতালে যেতে হয়।
  • কিডনি রোগের চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা খরচ হয়।

কিডনি রোগের চিকিৎসার জন্য কিছু টিপস:

  • একজন অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ খান।
  • জীবনধারা পরিবর্তন করুন, যেমন: স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধূমপান ত্যাগ করা, এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করা।
  • কিডনি রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করুন।

কিছু দরকারী সংস্থা:

  • কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
  • বাংলাদেশ নেফ্রোলজি সোসাইটি
  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

বিঃদ্রঃ: উপরোক্ত তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। চিকিৎসার জন্য অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।

বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসা দুটি প্রধান পদ্ধতিতে করা হয়:

১) ডায়ালাইসিস:

এতে রক্ত ​​থেকে বর্জ্য পদার্থ এবং অতিরিক্ত তরল অপসারণ করা হয়। দুটি প্রধান ধরনের ডায়ালাইসিস রয়েছে:

  • হেমোডায়ালাইসিস: এটি সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ডায়ালাইসিস। এটিতে, রক্ত ​​শরীর থেকে একটি মেশিনে প্রবাহিত হয় যা বর্জ্য পদার্থ এবং অতিরিক্ত তরল অপসারণ করে। তারপরে রক্ত ​​পরিষ্কার হয়ে শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। হেমোডায়ালাইসিস সাধারণত সপ্তাহে তিনবার করা হয়, প্রতিবার চার ঘন্টা।

  • পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস: এই ধরনের ডায়ালাইসিসে, তরল পেটে প্রবেশ করানো হয় এবং বর্জ্য পদার্থ এবং অতিরিক্ত তরল শোষণ করতে দেওয়া হয়। তারপরে তরলটি নিষ্কাশন করা হয় এবং ফেলে দেওয়া হয়। পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস নিজে বা মেশিনের সাহায্যে করা যেতে পারে।

২) কিডনি প্রতিস্থাপন:

এই পদ্ধতিতে, একটি ক্ষতিগ্রস্ত কিডনি একটি সুস্থ কিডনি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। প্রতিস্থাপিত কিডনি একজন মৃত দাতা বা জীবিত দাতা থেকে আসতে পারে।

 

বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসার জন্য অনেক হাসপাতাল এবং ক্লিনিক রয়েছে। কিছু বিখ্যাত হাসপাতাল হল:

  • ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
  • ইডেন মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল

কিডনি রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল হতে পারে। তবে, বাংলাদেশে সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে কিডনি রোগীদের জন্য অনেক আর্থিক সহায়তা প্রোগ্রাম রয়েছে।

কিডনি রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য, আপনি নিম্নলিখিত সংস্থাগুলির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন:

  • কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
  • বাংলাদেশ নেফ্রোলজি সোসাইটি
  • ন্যাশনাল কিডনি ডিজিজ প্রোগ্রাম

পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আরো পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI SLIM কিনতে এখনই ক্লিক করুন

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “কিডনি কত পয়েন্ট । বাংলাদেশে কিডনি রোগের চিকিৎসা”

Your email address will not be published. Required fields are marked *