শবে বরাতের রোজা । শবে বরাতের রোজার ফজিলত

320.00৳ 

<h3><span style=”color: #3366ff;”>সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

♣ ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে চাইলে ১৫০ টাকা অগ্রিম ডেলিভারি পরিশোধ করুন ।

ব্যবহারের সুবিধা;
১, আপনার লিঙ্গ মোটা এবং বড় করবে।
৩, পূর্বের তুলনায় সময় বাড়াবে এবং সময় দীর্ঘায়িত করবে।
৪, আগের থেকে বেশি সময় স্ত্রী সহবাস করতে পারবেন।
৫, স্ত্রীকে দ্রুত আনন্দ দেওয়া যায় এবং স্ত্রীর অর্গাজম করা সম্ভব।
৬, মেয়েরা পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ  লাভ করবে।</p>

742 in stock

Description

শবে বরাতের রোজা ।শবে বরাত হলো মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাত। এ রাতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর অগণিত বান্দাকে ক্ষমা করে দেন এবং তাদের ভাগ্যলিপি লিখে দেন। এই রাতে অধিক পরিমাণে ইবাদত-বন্দেগি করার মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করা সম্ভব।

শবে বরাতের রোজা: নিয়ম, ফজিলত এবং আমল

শবেবরাতের রোজা রাখার নিয়ম:

  • শাবান মাসের ১৪ তারিখ সূর্যাস্তের পর থেকে ১৫ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখা।
  • রোজার নিয়ত করার সময় উদ্দেশ্য করা যে, “আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য শবে বরাতের রোজা রাখছি।”
  • রোজার সময় সকল রকমের পাপাচার থেকে বিরত থাকা।
  • দান-খয়রাত করা।
  • অধিক পরিমাণে ইবাদত-বন্দেগি করা।

রোজার ফজিলত:

  • হাদিসে রয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি শাবান মাসের পনেরো তারিখ রোজা রাখবে, তার জন্য জাহান্নাম থেকে আটকানোর ব্যবস্থা করা হবে।” (তিরমিযী)
  • অন্য হাদিসে রয়েছে, “যে ব্যক্তি শাবান মাসের পনেরো তারিখ রোজা রাখবে, তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” (ইবনে মাজাহ)

শবেবরাতের রাতে কিছু আমল:

  • রাত জেগে ইবাদত-বন্দেগি করা।
  • তাহাজ্জুদ পড়া।
  • দোয়া-মুনাজাত করা।
  • কুরআন তিলাওয়াত করা।
  • দান-খয়রাত করা।
  • তওবা-ইস্তেগফার করা।

মনে রাখতে হবে:

  • শবে বরাতের রোজা রাখা ওয়াজিব নয়, তবে এটি একটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল।
  • যদি কেউ শারীরিকভাবে রোজা রাখতে অক্ষম হয়, তাহলে সে অন্য দিনে কাযা রাখতে পারে।
  • শবে বরাতের রাতে কেবল রোজা রাখাই যথেষ্ট নয়, বরং এই রাতের ফজিলত লাভের জন্য অধিক পরিমাণে ইবাদত-বন্দেগি করা উচিত।

আরো পড়ুনঃ মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক করুন

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার জন্য সহায়ক হবে।

## শবে বরাতের রোজা: ফজিলত ও রীতিনীতি

**শবে বরাত** মুসলিমদের জন্য একটি বিশেষ ও ফজিলতপূর্ণ রাত। এ রাতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের উপর অগাধ রহমত বর্ষণ করেন এবং বান্দাদের গুনাহ মাফ করেন। এই রাতে ইবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত থাকা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।

**শবে বরাতের রোজা** রাখাও সুন্নত ও ফজিলতপূর্ণ।

**রোজার ফজিলত:**

* **হাদিসে বর্ণিত:**
> “যখন শাবান মাসের মধ্যরাত আসে, তখন রাতে ইবাদত করো এবং দিনে রোজা রাখো।” (সুনানে ইবনে মাজাহ)
* **গুনাহ মাফের কারণ:**
> রোজা রাখার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের গুনাহ মাফ করেন।
* **আল্লাহর রহমত লাভ:**
> এ রোজার মাধ্যমে আল্লাহর অশেষ রহমত ও বরকত লাভ করা যায়।

**কতটি রোজা রাখা উত্তম:**

* **শাবান মাসের ১৫ তারিখে:**
> হাদিসে শবে বরাতের রাতের পরের দিন রোজা রাখার কথা উল্লেখ আছে।
* **আইয়ামে বিয:**
> প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে আইয়ামে বিযের রোজা রাখা সুন্নত। শাবান মাসের এই রোজাগুলো শবে বরাতের রোজার সাথে যুক্ত হতে পারে।
* **আরও বেশি রোজা:**
> যারা ইচ্ছুক, তারা শাবান মাসের পুরোটা বা অধিকাংশ রোজা রাখতে পারেন।

**রোজার রীতিনীতি:**

* **সাধারণ রোজার নিয়ম মেনে চলা:**
> শবেবরাতের রোজার ক্ষেত্রেও সাধারণ রোজার নিয়ম মেনে চলতে হবে।
* **ইবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত থাকা:**
> এ রাতে রোজা রাখার পাশাপাশি ইবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত থাকা উচিত।
* **দোয়া ও তাসবিহ:**
> রাত জেগে দোয়া, তাসবিহ ও কুরআন তেলাওয়াত করা।
* **দান-খয়রাত:**
> গরিব-দুঃখীদের মাঝে দান-খয়রাত করা।

**মনে রাখা জরুরি:**

শরীরের অবস্থা:
> যারা শারীরিকভাবে সক্ষম নন, তাদের রোজা রাখা উচিত নয়।
* **বিনিয়ত:**
> রোজা রাখার ব্যাপারে অহংকার করা উচিত নয়।

**উপসংহার:**

শবে বরাতের রোজা রাখা একটি সুন্নত ও ফজিলতপূর্ণ আমল। এ রোজার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভ করা যায়।

 

## শবে বরাতের রোজা: বিস্তারিত আলোচনা

**শবে বরাত হলো মুসলমানদের জন্য একটি বিশেষ ও ফজিলতপূর্ণ রাত। এই রাতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর অগাধ রহমত বর্ষণ করেন এবং বান্দাদের গুনাহ মাফ করেন। এই রাতে ইবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত থাকা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।

**শবে বরাতের রোজা** রাখাও সুন্নত ও ফজিলতপূর্ণ। এ রোজার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভ করা যায়।

**কতটি রোজা রাখা উত্তম:**

* **শাবান মাসের ১৫ তারিখে:**
> হাদিসে শবে বরাতের রাতের পরের দিন রোজা রাখার কথা উল্লেখ আছে।
> **উদাহরণস্বরূপ:**
> যদি শবে বরাত শনিবার রাত হয়, তাহলে রবিবার রোজা রাখা উত্তম।
* **আইয়ামে বিয:**
> প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে আইয়ামে বিযের রোজা রাখা সুন্নত। শাবান মাসের এই রোজাগুলো শবে বরাতের রোজার সাথে যুক্ত হতে পারে।
> **উদাহরণস্বরূপ:**
> যদি শবে বরাত ১৪ তারিখের রাত হয়, তাহলে ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের রোজা আইয়ামে বিযের রোজা হিসেবে গণ্য হবে।
* **আরও বেশি :**
> যারা ইচ্ছুক, তারা শাবান মাসের পুরোটা বা অধিকাংশ রোজা রাখতে পারেন।

**রোজার রীতিনীতি:**

* **সাধারণ রোজার নিয়ম মেনে চলা:**
> শবে বরাতের রোজার ক্ষেত্রেও সাধারণ রোজার নিয়ম মেনে চলতে হবে।

* **ইবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত থাকা:**
> এ রাতে রোজা রাখার পাশাপাশি ইবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত থাকা উচিত।

> যেমন:
> নামাজ
>  তেলাওয়াত
>  দোয়া
>  তাসবিহ

আরো পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে এখনই ক্লিক করুন

দান-খয়রাত:
> গরিব-দুঃখীদের মাঝে দান-খয়রাত করা।

**শবে বরাতের রাতে কিছু বিশেষ আমল:**

শবে বরাতের রাতের নামাজ

> এই রাতে বিশেষ নফল নামাজ আদায়ের ফজিলত অনেক বেশি।
> উদাহরণস্বরূপ:
> * ১০ রাকাত নামাজ
> * ১০০ রাকাত নামাজ

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “শবে বরাতের রোজা । শবে বরাতের রোজার ফজিলত”

Your email address will not be published. Required fields are marked *